সচেতনতায় জঙ্গি ও উগ্রবাদ অনেকাংশে নির্মূল সম্ভব

আপডেট : ০২ এপ্রিল ২০১৯, ২২:৩৮

জঙ্গি ও উগ্রবাদ শুধু দেশই নয় এটা সারা বিশ্বের সমস্যা। অস্ত্র দিয়ে জঙ্গিবাদ নির্মূল করা যায় না, এর জন্য দরকার জনসচেতনতা বাড়ানো। জনসচেতনতা বাড়িয়ে জঙ্গি ও উগ্রবাদ অনেকাংশে নির্মূল করা সম্ভব। নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত ‘উগ্রবাদ ও জঙ্গিবাদ বিরোধী সংলাপ’ বিষয়ক অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন। শিক্ষার্থীদের মাঝে সচেতনতা বাড়াতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট এই সংলাপের আয়োজন করে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার ও কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম, বিপিএম (বার), পিপিএম (বার)। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (দায়িত্বপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. গিয়াস ইউ. আহসান, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খান, বিপিএমও পিটিআইবি এবং ইউএনডিপির প্রজেক্ট ম্যানেজার মি. রবার্ট স্টোলম্যান। অনুষ্ঠানে প্রশ্ন-উত্তর পর্বে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদ সম্পর্কিত বিভিন্ন মতামত প্রদান করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মনিরুল ইসলাম বলেন, জঙ্গি ও উগ্রবাদ শুধু বাংলাদেশ নয় বরং সারা বিশ্বের সংকটময় সমস্যা। শুধু অস্ত্র দিয়ে কখনো জঙ্গিবাদ নির্মূল করা যায় না। এর জন্য আমাদের দরকার জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা। জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে জঙ্গি ও উগ্রবাদ অনেকাংশে নির্মূল করা সম্ভব। ইউএনডিপি’র প্রতিনিধি মি. রবার্ট স্টোলম্যান বলেন, উগ্রবাদ একটি ভয়ঙ্কর অপরাধ যা মানুষের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি করে। মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খান বলেন, জঙ্গিবাদ এর অধিকাংশ ঘটনাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সূত্রপাত হয়। সমাপনী বক্তব্য রাখেন উপাচার্য অধ্যাপক আতিকুল ইসলাম।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি