নানা সমস্যায় জর্জরিত উপজেলার সান্দিকোণা ইউনিয়নের মিতালী উচ্চ বিদ্যালয়। সাম্প্রতিক ঝড়ে গাছ ভেঙে পড়ে বিদ্যালয়ের টিনশেড ঘরটি বিধ্বস্ত হয়েছে। বিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই নেই বিদ্যুত্ সংযোগ এবং পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ। এতে সংকটে ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান কার্যক্রম। এছাড়া বিদ্যালয়টির বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণ করা হয়নি এবং ভরাট করা হয়নি বিদ্যালয় মাঠের কিছু অংশ। বিদ্যালয়ের স্যানিটেশন ব্যবস্থা যথাযথ থাকলেও নিরাপদ পানি ব্যবহারের জন্য তিনটি টিউবওয়েলের দুইটি অকেজো।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৭২ সালে এলাকার শিক্ষানুরাগী লোকজন মিতালী উচ্চ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। শুরুতে বিদ্যালয়টি নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসাবে যাত্রা শুরু করলেও ১৯৯৫ সালে মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসাবে স্বীকৃতি লাভ করে। বিদ্যালয়টির শুরু থেকেই টিনশেড ঘরে পাঠদান কার্যক্রম চলে আসছে। তবে ২০১৪-২০১৫ অর্থবছরে বিদ্যালয়টির জন্য একটি পাকা ভবন নির্মাণ করে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর। এক একর ৫৪ শতাংশ জায়গার উপর প্রতিষ্ঠিত এ বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে শিক্ষার্থী সংখ্যা রয়েছে প্রায় সাড়ে ৫শ’।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জসিম উদ্দিন ভূঞা বিদ্যালয়টির বহুমুখী সমস্যার কথা স্বীকার করে জানান, ‘তথ্য প্রযুক্তির এ যুগেও আমার বিদ্যালয়ে বিদ্যুত্ সংযোগ নেই। নেই পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ। তা আবার সাম্প্রতিক ঝড়ে গাছ ভেঙে বিদ্যালয়ের টিনশেড ঘরটি বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে। ফলে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের যেমন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে, তেমনি ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান কার্যক্রম।
এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, ‘সাম্প্রতিক ঝড়ে মিতালী উচ্চ বিদ্যালয়ের ঘর বিধ্বস্ত হওয়ার বিষয়টি শুনেছি। বিদ্যালয়টির যাবতীয় সমস্যা সমাধানে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ইত্তেফাক/নূহু
