নাগেশ্বরীতে জমি নিয়ে সংঘর্ষে একজন নিহত ও চারজন আহত হয়েছেন। আহতরা কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নিহতের পরিবার ও মামলা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কালীগঞ্জ বাজারের মৃত ছফর উদ্দিনের ছেলে নুরমোহাম্মদের সঙ্গে শালমারা মৌজার ১ একর ৭১ শতক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে একই এলাকার শওকত আলী সর্দারের বিরোধ চলে আসছিল। শনিবার সকালে নুরমোহাম্মদ তার লোকজনসহ ওই জমিতে ধান কাটতে গেলে শওকত আলী সর্দার, তার ছেলে জুলফিকার আলী বাবু, মোস্তফা মিয়াসহ প্রায় ২০ জন লোক অতর্কিতে তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে নুরমোহাম্মদের ভাই নুরুল আমিন (৫৮), উকিল আমিন (৫৫), বারেক আলী (৫০), ইউনুছ আলী (৪৫) ও রফিকুল ইসলাম (৫০) গুরুতর আহত হন। এলাকাবাসী ঘটনাস্থল থেকে তাদের উদ্ধার করে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে নুরুল আমিনের অবস্থা গুরুতর হলে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার দুপুরে তিনি মারা যান। সোমবার ময়নাতদন্ত শেষে নিহতের লাশ বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই আবু ছিদ্দিক বাদী হয়ে রবিবার সন্ধ্যায় নাগেশ্বরী থানায় জুলফিকার আলী বাবু, মোস্তফা মিয়া, শওকত আলী, মাসুম মিয়া, মাহাতাব আলী, একাব্বর আলী, হোসেন আলী, মিনহাজ আলী, শাহজামাল, নুর ইসলাম, মজিবর রহমান, সৈইফুর রহমান, আক্কাছ আলীসহ অজ্ঞাত আরো ৬-৭ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
মামলার বাদী আবু ছিদ্দিক বলেন, ওই জমি আমরা পৈত্রিক সূত্রে পেয়ে ভোগদখল করে আসছি। প্রতিপক্ষরা দীর্ঘদিন থেকে তা জোড়পূর্বক দখলের চেষ্টা করে আসছে। ঘটনার দিন আমরা আমাদের জমির ধান কাটতে গেলে তারা অতর্কিতে হামলা চালিয়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটায়।
এ বিষয়ে শওকত আলী সর্দারের ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করে বন্ধ পাওয়া যায়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সারওয়ার বলেন, জয়বর আলীর ছেলে আসামি নুর ইসলামকে আটক করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
ইত্তেফাক/কেকে
