ইত্তেফাক রিপোর্ট
সেবা দেওয়ার মাধ্যমে যেসব প্রতিষ্ঠান আয় করছে তাদের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আয়কর আদায় করছে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া। তিনি বলেন, যারা একেবারেই ফ্রি সেবা দেয়, এমন দাতব্য প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কোনো ধরনের কর নেওয়া হয় না। এ সময় চিকিত্সক ও আইনজীবীদের কাছ থেকে যথাযথ কর আদায়ে শিগগিরই এনবিআর থেকে চিঠি পাঠানো হবে বলে জানান তিনি। গতকাল বুধবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় রাজস্ব ভবনে প্রাক বাজেট আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন। এ আলোচনায় বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিক্যাল কলেজ অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএমসিএ) প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
দেশে চিকিত্সক, আইনজীবীসহ পেশাজীবীদের একটি অংশ বড় অঙ্কের আয়কর ফাঁকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিভিন্ন কর অফিস এসব ইস্যুতে মাঝে মাঝেই চিঠি চালাচালি করে বলেও জানা যায়। এছাড়া এনবিআরের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি) বেশ কয়েকজন পেশাজীবীর কাছ থেকে ফাঁকি দেওয়া আয়কর আদায় করেছে বলেও জানা গেছে।
গতকাল বাজেট আলোচনায় সংগঠনের পক্ষ থেকে মেডিক্যালের যন্ত্রপাতি আমদানিতে শুল্ক অব্যাহতির সুবিধা চাওয়া হয়। বর্তমানে মেডিক্যাল কলেজের যন্ত্রপাতি আমদানিতে প্রায় ২৫ শতাংশ শুল্ক দিতে হচ্ছে। বিপিএমসিএ’র সভাপতি এমএম মুবিন খান বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গবেষণার বরাত দিয়ে বলেন, বর্তমানে দেশে ১ লাখ ৬০ হাজার চিকিত্সক প্রয়োজন হলেও বাস্তবে সরকারি বেসরকারি মিলে আছে মাত্র ৮০ হাজার চিকিত্সক । তার দাবি, লাভজনক না হওয়া সত্ত্বেও ২০১১ সাল থেকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানের মতোই ১৫ শতাংশ হারে আয়কর দিতে হচ্ছে ৬৭টি মেডিক্যাল কলেজকে। ওই ১৫ শতাংশ আয়কর অব্যাহতি দেওয়ার দাবি জানান তিনি। মেডিক্যালগুলোর যন্ত্রপাতি আমদানিতে শুল্ক সুবিধা দেওয়ার আশ্বাস দেন এনবিআর চেয়ারম্যান। এ সময় বিপিএমসিএ’র উপদেষ্টা ডা. মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক প্রীতি চক্রবর্তী, সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুল হক ছাড়াও এনবিআরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
