মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সম্ভাব্য রুশ হস্তক্ষেপের তদন্ত নিয়ে সৃষ্ট জটিল পরিস্থিতির মধ্যেই নয় দিনের বিদেশ সফর শেষে দেশে ফিরেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিদেশ সফর শেষে ঐতিহ্য অনুযায়ী সাংবাদিক সম্মেলন না করেই শনিবার দেশে ফিরেছেন তিনি। এখন চেষ্টা করছেন অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি শক্ত হাতে সামাল দিতে। কারণ দেশে ফিরে আসার পর নির্বাচনে সম্ভাব্য রুশ হস্তক্ষেপের বিষয়ে তদন্ত নিয়ে রাজনৈতিক ও আইনি হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে তাকে। ট্রাম্পের শীর্ষ সহযোগীরা চেষ্টা করছেন তার জামাতা জারেদ কুশনারকে জড়িয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরের পর পরিস্থিতি সামাল দিতে। একইসঙ্গে ট্রাম্পের বিদেশ সফরকে সফল হিসেবেও তুলে ধরার চেষ্টা করছেন তারা।
হোয়াইট হাউস আইওয়াতে প্রেসিডেন্টের সফর বাতিল করেছে। তারা এখন সামগ্রিকভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন। ট্রাম্পের ব্যক্তিগত আইনি টিমের নেতৃত্ব দিচ্ছেন নিউ ইয়র্কের তার দীর্ঘদিনের আইনজীবী মার্ক ই কাসোউত্চ। গতকালই তার সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠকের কথা ছিল। তার জামাতা কুশনার মধ্যপ্রাচ্য সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে ছিলেন। কিন্তু পরিস্থিতি খারাপ দিকে মোড় নিতে দেখে তিনি আগেই দেশে ফিরে আসেন। দেশে ফিরে তিনি এখন পর্যন্ত নীরবতা পালন করে চলেছেন। তবে প্রেসিডেন্টে জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টার পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর কোনো পরিকল্পনা এখনো পর্যন্ত তার নেই বলে নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে।
এদিকে ট্রাম্পের পরিবারের সদস্যরা রিপাবলিকান দলের নেতাদের সঙ্গে সখ্য বাড়ানোর চেষ্টা করছেন। সিএনএন’র এক খবরে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যখন বিদেশ সফরে ছিলেন তখন তার সন্তানেরা রিপাবলিকান দলের প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে সম্পর্ক জোরালো করার চেষ্টা করেছেন। ট্রাম্পের দুই ছেলে ডোনাল্ড জুনিয়র এবং এরিক ও তার স্ত্রী লারা ওয়াশিংটনে রিপাবলিকান ন্যাশনাল কমিটির কার্যালয়ে কয়েক দফা গেছেন। এই সময়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে একটাই উদ্দেশ্য ছিলো সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করা। তবে এ বিষয়ে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে কিছুই জানানো হয়নি।
ইত্তেফাক/নূহু
