সোমালিয়ার জঙ্গি সংগঠন আল শাবাব ব্যভিচারের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে পাথর ছুড়ে হত্যা করা হয়েছে। দাইয়ো মোহামেদ হাসান নামের ওই ব্যক্তিকে ঘাড় পর্যন্ত বালিতে গর্ত করে ডুবিয়ে তাকে পাথর ছুড়ে হত্যা করে জঙ্গিরা।
ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ দুটি স্ত্রী থাকার পরেও আরেক নারীর সঙ্গে ব্যভিচারী সম্পর্ক স্থাপন করে তাকে গর্ভবতী করে। আর এই বিষয়ে আল শাবাব নিয়ন্ত্রিত এলাকায় তথাকথিত ইসলামি আদালতে শুনানি শেষে তাকে পাথর ছুড়ে হত্যার নির্দেশ দেয়া হয়।
আল শাবাবের ওই আদালত প্রায়ই যৌন সংশ্লিষ্ট অপরাধের শাস্তি ঘোষণা করে থাকে। ২০১৪ সালে এক কিশোরকে ধর্ষণের অভিযোগে পাথর ছুড়ে হত্যা করা হয়, ২০০৮ সালে এক তরুণীকেও একইভাবে হত্যা করা হয়। সর্বশেষ ঘটনাটি সম্পর্কে জানা যায়, ঘটনায় সংশ্লিষ্ট নারী দাইয়ো মোহামেদ হাসানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করে। কিন্তু তার বিরুদ্ধে ব্যভিচারের অভিযোগ আনা হয়েছে কারণ ধর্ষণের তুলনায় ব্যভিচার প্রমাণ করা সহজ।
আল শাবাব নিয়ন্ত্রিত সোমালিয়ার সাউথ সেন্ট্রাল বে রিজিওনের গভর্নর মোয়ালিম গিদো বলেন, শত শত মানুষ এই পাথর ছোড়ার ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছেন। বিবিসি।
ইত্তেফাক/সাব্বির
