বঙ্গপসাগরে সৃষ্ট ঘুর্ণিঝড় মোরার প্রভাবে উপকূলীয় দ্বীপজেলা ভোলায় মঙ্গলবার সকাল ৮টার পর থেকে বাতাসের গতি কিছুটা বেড়েছে। সেই সাথে রয়েছে গুড়িগুড়ি বৃষ্টি। কোথাও মাঝারি বৃষ্টি। ভোলা সংলগ্ন মেঘনা নদীর তীরে গিয়ে দেখা যায় সংখ্যায় বেশি না হলেও বেশ কিছু ছোট ছোট জেলে নৌকা নদীতে মাছ ধরতে নেমেছে।
ভোলার জেলা প্রশাসক মো. সেলিম উদ্দিন জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক দপ্তরে ১টি ও ৭ উপজেলায় ৭টিসহ মোট ৮টি ঘুর্ণিঝড় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু রয়েছে। পাশাপাশি ৪৮৯টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তিনি আরও জানিয়েছেন পর্যাপ্ত পরিমাণ শুকনো খাবার মজুদ রয়েছে।
সিভিল সার্জন ডা. রথিন্দ্রনাথ রায় জানিয়েছেন ৭৮টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। এ ছাড়া ভোলার বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চলে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে সামান্য কিছুটা পানি বেড়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় জন প্রতিনিধিরা। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ভোলা থেকে সকল রুটে যাত্রীবাহী নৌ-চলাচল বন্ধ রয়েছে।
ইত্তেফাক/এমআই
