লৌহজং নদীতে দুটি অবৈধ ড্রেজার ধ্বংস

আপডেট : ০৪ জুন ২০১৭, ১১:৪৮
টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার লৌহজং নদীর বহুরিয়া এলাকায় নদীতে ড্রেজার বসিয়ে অবৈধভাবে বালি উত্তোলনের অভিযোগে দুটি অবৈধ ড্রেজার ধ্বংস করে দিয়েছে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।এছাড়া বিভিন্ন হোটেল রেস্তোয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে ওজনে কারচুপি ও নোংরা পরিবেশ দেখে মালিকদের জরিমানা আদায় করেছে।
 
শনিবার ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত সাদমীন এ অভিযান চালান।
 
মির্জাপুর থানা পুলিশ সূত্র জানায়, একটি চক্র লৌহজং নদীর বহুরিয়া এলাকায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম নুরু সেতু সংলগ্ন নদীতে ড্রেজার বসিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করে আসছিল। টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক খান মো. নুরুল আমিনের নির্দেশে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভ্রাম্যমাণ আদালত ওই এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানের খবর পেয়ে ড্রেজার মালিক ও কর্মচারীরা পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কর্মচারীরা দুটি ড্রেজার ধ্বংস করেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি মোটরসাইকেল জব্দ করে পুলিশের কাছে দেওয়া হয়।
 
এদিকে উপজেলার হাটুভাঙ্গা ও সোহাগপাড়া বাজারে কয়েকটি হোটেল ও রেস্তোরাঁয় অভিযান চালায় ভ্রাম্যমান আদালত। ওজনে কারচুপি ও নোংরা পরিবেশ দেখে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ইসরাত সাদমীন মালিকদের প্রায় ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করে সতর্ক করে দেন।এর আগে মিষ্টির দোকান ও খাবার হোটেলে অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। উপজেলা সদরের বংশাই রোড, পুরাতন বাস স্টেশন এলাকায় খাবার হোটেল এবং পাকুল্যা বাস স্ট্যান্ড এলাকায় মিষ্টির দোকানে অভিযান চালিয়ে জরিমানা আদায় করেন।
 
বৃহস্পতিবার উপজেলা সদরের বংশাই রোডের মা মিষ্টান্ন ভান্ডারসহ চারটি দোকানে অভিযান চালিয়ে নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে হোটেল পরিচালনা করার অভিযোগে ২৯ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এর আগে পুরাতন বাস স্টেশন এলাকায় হোটেল পরিতোষ, ইসলামিয়া সুইটমিট, ভাই ভাই হোটেলসহ কয়েকটি হোটেলে অভিযান চালিয়ে নোংরা পরিবেশ থাকায় ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে তাদের সতর্ক করে দেওয়া হয়।
 
এ ব্যাপারে ভ্রাম্যমান আদালতের বিচার ইসরাত সাদমীন জানিয়েছেন, রমজানের প্রথম দিন থেকে অভিযান শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে প্রতিটি হাট-বাজারের মিষ্টির দোকান ও খাবার হোটেলে অভিযান চালানো হবে। প্রতারণার সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
 
ইত্তেফাক/এমআই