প্রবীণ রাজনীতিবিদ, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, ৬০’র দশকের প্রখ্যাত ছাত্র নেতা, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আলী হায়দার খান অ্যাডভোকেট আজ সোমবার ভোর রাতে ঢাকার বারডেম হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি........রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতাসহ বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। স্ত্রী, তিন কন্যাসহ বহু আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন তিনি।
আলী হায়দার খান পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে থেকে আইয়ূব বিরোধী আন্দোলনে বিশেষ ভূমিকা রাখেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকবাল হল (জহরুল হক) ছাত্র সংসদে ১৯৬৩ সালে জিএস ও ১৯৬৫ সালে ভিপি নির্বাচিত হন। এ সময় তিনি নিরাপত্তা রাজবন্দী হিসাবে জেল হাজতে ছিলেন। ৭০’র নির্বাচন থেকে দলীয় সিদ্ধান্তে মোজাফ্ফর ন্যাপের সদস্য হয়ে পিরোজপুরে ৮০’র দশক পর্যন্ত রাজনীতি করেছেন। ১৯৮৬ সালে পিরোজপুর-১ আসনে ৮ দলীয় প্রার্থী হয়ে নৌকা মার্কা নিয়ে সংসদ সদস্য পদে নির্বাচন করেন এবং পরে আওয়ামী লীগে যোগ দেন। শেষ জীবনে তিনি ঢাকায় সপরিবারে বসবাস করতেন। মঙ্গলবার পিরোজপুরে তাঁর জানাজা শেষে পৌর কবরস্থানে দাফন করা হবে।
পরিবেশ ও বন মন্ত্রীর শোক
অ্যাডভোকেট আলী হায়দার খানের ইন্তেকালে জাতীয় পার্টি-জেপি’র চেয়ারম্যান এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু গভীর শোক জানিয়েছেন। তিনি এক শোক বাণীতে বলেন, স্বাধীনতার আগে ও পরে মরহুম আলী হায়দার খান বাংলাদেশের রাজনীতিতে একজন প্রাতঃস্মরণীয় ব্যক্তি হিসাবে চিরকাল বেঁচে থাকবেন। মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আনোয়ার হোসেন মঞ্জু সহনুভূতি ও সমবেদনা জানান।
ইত্তেফাক/এমআই
