প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের উদ্যোগে দীর্ঘ দুই যুগ পর নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার ঐতিহাসিক রোয়াইলবাড়ি দুর্গের পুন:খনন কাজ চলছে। পুন:খননের ফলে মাটির নিচ থেকে বেরিয়ে আসছে বিভিন্ন ধরণের প্রাচীন নিদর্শন। পাওয়া গেছে প্রাচীন এ দুর্গের মূল প্রবেশ পথ ও নানা রকম কারুকার্য সংবলিত পাথরের ওয়াচ টাওয়ার।
গত সোমবার খননকাজ পরিদর্শনে যান প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. আলতাফ হোসেন, নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক ড. মো. মুশফিকুর রহমান ও কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ মুতাসিমুল ইসলাম।
খনন কাজ পরিদর্শনকালে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলতাফ হোসেন বলেন, 'ঐতিহাসিক রোয়াইলবাড়ি দুর্গের বিভিন্ন নিদর্শন জাতীয়ভাবে সংরক্ষণ করা হবে। তাছাড়া এ ঐতিহ্যকে সারাদেশের পর্যটকদের দর্শনের জন্য লালবাগ কেল্লা, পানাম সিটি ও ওয়ারী বটেশ্বরে প্রদর্শিত করা হবে।
গত ২১ এপ্রিল থেকে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মাহাবুব-উল আলম ও গবেষণা সহকারী সাবিনা ইয়াসমিনের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি দল রোয়াইলবাড়ি দুর্গ পুন:খনন কাজ শুরু করেন।
এর আগে ১৯৯১-১৯৯২ সালে ও ১৯৯২-১৯৯৩ এবং ১৯৯৩-১৯৯৪ সালে ঐতিহাসিক রোয়াইলবাড়ি দুর্গটি তিন দফা খনন করা হয়েছিল। ওই তিন দফা খননে মূলত দুর্গের উত্তর-পশ্চিম কোণায় বুরুজ ঢিবি, দক্ষিণে পনেরো গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদের ধ্বংসাবশেষ বা বারোদুয়ারী মসজিদ আবিষ্কৃত ও প্রাচীরবেষ্টিত একটি বুরুজ কমপ্লেক্স উন্মোচিত হয়।
ইত্তেফাক/জামান
