ডাকাত সন্দেহে দুই পুলিশসহ ৪ জনকে গণপিটুনি

আপডেট : ০৭ জুন ২০১৭, ১৩:৫০
 
পাবনার বেড়া উপজেলার নাকালিয়া বাজারে ডাকাত সন্দেহে গজারিয়া থানার দুই পুলিশ সদস্যসহ চারজনকে গণপিটুনি দিয়ে আটক করেছে জনতা। পরে বেড়া থানা পুলিশ তাদের উদ্ধার করে তাদের বেড়া হাসপাতালে ভর্তি করে। 
 
পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার গভীর রাতে একটি ট্রলার যোগে মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া থানার দুই পুলিশ সদস্য ডাকাতি মামলার দুই আসামিকে গ্রেফতার করে শাহজাদপুর থেকে ডাকাতি মামলার আলামত সংগ্রহ করে নিজ থানায় ফিরছিলেন। রাত আড়াইটার দিকে তারা বেড়া উপজেলার নাকালিয়া এলাকায় পৌঁছান। সেহরীর সময় হওয়াতে তারা ঘাটে ট্রলার ভিড়িয়ে বাজারে যান। এ সময় ওই বাজারের নাইটগার্ড আব্দুল লতিফ তাদেরকে দেখে ডাকাত সন্দেহ করলে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। 
 
একপর্যায়ে লতিফ মাইক দিয়ে ডাকাত ডাকাত চিৎকার শুরু করেন। তার চিৎকার শুনে চারদিক থেকে স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে পুলিশের পোশাক পরিহিতি অবস্থায় এসআই লাল মিয়া ও কনস্টেবল চুন্নু মিয়াসহ সঙ্গে থাকা খোরশেদ (৩৫) ও ট্রলারের মাঝি নরেশকে গণপিটুনি দিয়ে আটকে রাখেন। এ সুযোগে আসামি আব্দুল হক ও মাঝি দুলাল নদীতে ঝাপ দিয়ে পালিয়ে যান। খবর পেয়ে বেড়া থানা পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে রাতেই বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লে­ক্সে ভর্তি করে।
 
হাটুরিয়া-নাকালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, গত এক বছরের ব্যবধানে নাকালিয়া বাজারের স্বর্ণের দোকানে বেশ কয়েকটি ডাকাতি সংগঠিত হওয়ায় স্থানীয় লোকজনের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। 
 
বেড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল মোতালেব হোসেন জনতা গণপিটুনি দিয়ে পুলিশসহ ৪ জনকে আটকে রাখার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এটি একটি ভুল বুঝাবুঝির ঘটনা।
 
ইত্তেফাক/কেকে