গৌরনদীতে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের মধ্যে দু’দফা সংঘর্ষে পুলিশের দুই সদস্যসহ ১৫ নেতা-কর্মী আহত হয়েছে। আধিপত্য বিস্তার ও অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জের ধরে গতকাল শুক্রবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। গুরুতর আহত ছাত্রলীগের ছয়জনকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ও পুলিশের দুই সদস্যসহ পাঁচ নেতা-কর্মীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় চারজনকে আটক করেছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সরকারি গৌরনদী কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন সুজনের সঙ্গে ওই কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক ছাত্রলীগ নেতা আরিফ মিয়ার গ্রুপে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছে। গতকাল সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হিজলতলা নামক স্থানে আরিফ মিয়ার সমর্থক মো. নয়নকে মারধর করে সুজন সমর্থক রাসেল। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে উভয় গ্রুপের সমর্থকরা গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় জড়ো হয়। দুপুর সোয়া ১২টার দিকে উভয় গ্রুপ ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এসময় কনস্টেবল মো. তুষার, মো. ইমরান ও কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি সুজন, ছাত্র সংসদের সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক আরিফ, তার ভাই জিহাদ মিয়াসহ ১৫ নেতা-কর্মী আহত হন। সুজন, আরিফ, জিহাদ, রনি, রিয়াজ, রাসেলকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
গৌরনদী মডেল থানার ওসি গোলাম সরোয়ার জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ যুবলীগ নেতা আতিক মিয়া, তার সহোদর ছাত্রলীগ নেতা আরিফ মিয়া, জিহাদ মিয়া, সুজন সমর্থক ফিরোজ শিকদারকে আটক করেছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।
