পশ্চিম লন্ডনের ২৪ তলা আবাসিক ভবন ‘গ্রিনফেল টাওয়ার’ অগ্নিকান্ডে বহু মানুষ নিহত হওয়ার ঘটনায় ক্রুদ্ধ বিক্ষোভকারীরা স্থানীয় টাউন হল ঘেরাও করেছে। ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ অর্থাৎ আমরা ন্যায় বিচার চাই শ্লোগান দিতে দিতে কয়েকশো বিক্ষোভকারী এক পর্যায়ে ‘কেনসিংটন এন্ড চেলসি’ টাউন হলের ভেতর ঢুকে পড়েন। সেখান থেকে পুলিশ অন্তত একজন বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতার করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
IMG0
এই অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে কাউন্সিল কর্তৃপক্ষ এবং ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে’র সরকারের তীব্র সমালোচনা চলছিল এই বলে যে তারা ঘটনার গুরুত্ব অনুযায়ী বিভিন্ন পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে।
IMG1
ঘটনাস্থল থেকে বিবিসির সংবাদাদাতারা জানাচ্ছেন, এ পর্যন্ত অন্তত তিরিশ জনের মৃত্যু এবং আরও অন্তত ৭০ জন নিখোঁজ থাকার ঘটনায় সেখানে তীব্র ক্ষোভ ধূমায়িত হচ্ছে। নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করছেন, কর্তৃপক্ষ তাদের কোন তথ্য দিয়েই সহযোগিতা করছেন না।
IMG2
প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে গতকাল ঘটনাস্থলে গেলেও ঘটনার শিকার হওয়া ব্যক্তি বা তাদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ না করায় তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন। এরপর প্রধানমন্ত্রী আজ আবার একটি হাসপাতালে গিয়ে অগ্নিকাণ্ডে আহত চিকিৎসাধীনদের দেখতে যান।
IMG3
কেনসিংটন এলাকার পরিস্থিতিতে সাংবাদিকরা ‘অগ্নিগর্ভ’ বলে বর্ণনা করছেন। সেখানে অনেক পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে। গতকাল লন্ডনের মেয়র সাদিক খানও ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের ক্ষোভ এবং প্রশ্নবাণের মুখে পড়েছিলেন।
IMG4
কিভাবে লন্ডনের একটি ২৪ তলা ভবনে এত দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে এত মানুষের মৃত্যু ঘটতে পারলো, তা নিয়ে অনেক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সরকারের তরফ থেকে এই ঘটনার একটি প্রকাশ্য তদন্তের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। বিবিসি।
ইত্তেফাক/সেতু
