দুর্গাপুরে ঢেওটুকোন ফেরিঘাটে ঘরমুখো যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ

আপডেট : ১৯ জুন ২০১৭, ০২:৫২

আর মাত্র ক’দিন পর পবিত্র ঈদুল ফিতর। সংস্কার না থাকা ও কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার ফলে বিলীন হতে চলেছে নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলাবাসীর ঈদ আনন্দ। রবিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, দুর্গাপুর উপজেলা সদর থেকে নেত্রকোনা জেলা শহর, পূর্বধলা, ময়মনসিংহ, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাওয়ার একমাত্র বাইপাস সড়ক দিয়ে মোটরসাইকেল ও সিএনজি চলাচলের উপযোগী থাকলেও উপজেলার ঢেওটুকোন কংশ নদীতে ফেরি পারাপারের যথেষ্ট ব্যবস্থা না থাকায় প্রায় প্রতিদিনই দুর্ভোগসহ নানা জটিলতায় পড়তে হচ্ছে ঘরমুখো মানুষের।

দুর্গাপুর-বিরিশিরি ভায়া শ্যামগঞ্জ রাস্তাটি চলাচল উপযোগী না থাকায় এ সড়ক দিয়ে মালবাহী ইঞ্জিনচালিত ট্রলি, ট্রাক্টর, মোটরসাইকেল, মাহেন্দ্রবাইক, অটোরিকশা, ঠেলাগাড়ি, ভটভটিসহ প্রায় পাঁচ হাজার যানবাহন চলাচল করছে প্রতিনিয়ত। এত বড় ফেরিঘাটে পারাপারের জন্য রয়েছে মাত্র একটি ফেরি, যানবাহন ওঠানামা করার জন্য ঘাটের দুই পাশের সিঁড়িও নড়বড়ে, নৌকার মাঝিও অপ্রাপ্তবয়স্ক, অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করা হচ্ছে সবসময়। এত বড় গভীর নদীতে যে কোনো মুহূর্তে ঘটে যেতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। ঝুঁকি নিয়ে প্রতিনিয়ত পারাপার হচ্ছে যানবাহনসহ হাজার হাজার মানুষ।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য উপাধ্যক্ষ রেমন্ড আরেং বলেন, পবিত্র ঈদে ঘরমুখো মানুষের দুর্ভোগ ও অসুস্থ রোগীদের পারাপারের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে আমি সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে নেত্রকোনা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রশান্ত কুমার রায়ের সাথে কথা বলে ফেরিঘাটের দুই পাশের সিঁড়ি মেরামতের জন্য অর্থ বরাদ্দ করিয়েছি। এ ছাড়া নেত্রকোনা সড়ক ও সেতু বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে কথা বলে পারাপারের জন্য আরেকটি নৌকা ও নৌকাতে ওঠানামা করার জন্য দুইপাশের অ্যাপ্রোচের জায়গা ইটের সলিং করে দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। এ ছাড়া ঈদের আগেই জারিয়া-ঝাঞ্জাইলের কংশ সেতু খুলে দেওয়ারও আশ্বাস প্রদান করেন।

ইত্তেফাক/নূহু