বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনিশ বলেছেন, বিশ্ববাণিজ্য সংস্থার পরামর্শ মোতাবেক বাংলাদেশ বিশ্ববাণিজ্যে সক্ষমতা অর্জন করেছে। রপ্তানি বাণিজ্যে বাংলাদেশ সুনামের সাথে এগিয়ে চলছে। গত অর্থ বছরে বাংলাদেশের রপ্তানি ছিল প্রায় ৩৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০২১ সালে রপ্তারি লক্ষ্য মাত্রা ধরা হয়েছে ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাংলাদেশের রপ্তানি প্রত্যাশার চেয়েও ভালো। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে এলডিসি থেকে বেরিয়ে উন্নয়নশীল দেশে প্রবেশের প্রথম ধাপ সফলভাবে অতিক্রম করেছে। ২০২৪ সালে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে। তখন বিশ্ববাণিজ্যের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উন্নয়নশীল বাংলাদেশের জন্য ডব্লিউটিও এর সহযোগিতা প্রয়োজন হবে। বিশেষ করে ট্রিপস চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধির সুবিধা বাংলাদেশের প্রয়োজন। ২০৩৩ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত এলডিসিভুক্ত দেশগুলো এ সুবিধা পাবে। ঔষধ শিল্প বাংলাদেশের জন্য খুবই সম্ভাবনাময়। বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ডিজিটাল পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। বাংলাদেশ এখন পেপারলেস ট্রেডে সক্ষমতা অর্জন করেছে। বাংলাদেশ ডব্লিউটিও এর পেপারলেস ট্রেড পলিসি চুক্তিতে প্রথম স্বাক্ষরকারী দেশ। বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি ৩ এপ্রিল জেনেভায় বিশ্ববাণিজ্য সংস্থার সদর দপ্তরে বাংলাদেশের ৫ম ট্রেডপলিসি রিভিউ-এর প্রথম সভায় বাংলাদেশের বাণিজ্য, শিল্প, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ ও সংস্কারসমূহ তুলে ধরতে গিয়ে এসব কথা বলেন। ডব্লিউটিও ট্রেডপলিসি রিভিউ বডির চেয়াম্যান অ্যাম্বাসেডর টিহাংকির সভায় সভাপতিত্ব করেন।
উল্লেখ্য, সভায় বিশ্ববাণিজ্য সংস্থার প্রায় সকল সদস্যের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত সদস্যদের মধ্যে অনেকে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রশংসা করেন। সভায় বাংলাদেশের আমদানি শুল্ক কমানোসহ বাণিজ্য ও বিনিয়োগের নীতিমালাসমূহ উদারীকরণের জন্য ও একাধিক দেশের প্রতিনিধি অনুরোধ জানান। বাণিজ্যমন্ত্রীসহ বাণিজ্য সচিব মো. মফিজুল ইসলাম, জেনেভাস্থ বালাদেশ মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধি শামীম এম আহসানসহ ১৬ সদস্যের প্রতিনিধিদল ট্রেডপলিসি রিভিউ সভায় অংশগ্রহণ করেন।
