বিস্কুট শিল্পের বিকাশে নীতিমালা প্রণয়নের দাবি

আপডেট : ০৪ এপ্রিল ২০১৯, ২১:১৪

দেশের উদীয়মান বিস্কুট এবং ব্রেড শিল্পের টেকসই বিকাশে একটি নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ অটো বিস্কুট অ্যান্ড ব্রেড ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা। তারা বলেন, এ লক্ষ্যে সংগঠনের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রেরণ করা হয়েছে। নীতিমালাটি চূূড়ান্ত হলে, খাদ্য শিল্পের গুণগতমান উন্নয়নের পাশাপাশি এ শিল্পখাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখা সম্ভব হবে।  

বাংলাদেশ অটো বিস্কুট অ্যান্ড ব্রেড ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা গতকাল শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূনের সঙ্গে বৈঠককালে এ দাবি জানান। শিল্প মন্ত্রণালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সংগঠনের সভাপতি মো. শফিকুর রহমান ভুঁইয়া, উপদেষ্টা শরীফ এম. আফজাল হোসেনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে নিরাপদ খাদ্য শিল্পখাত গড়ে তোলার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাজারে জনপ্রিয় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ব্রেড ও বিস্কুটের নাম নকল করে প্রায় একই নামে কিংবা কাছাকাছি নামে ট্রেডমার্ক নিবন্ধন সংগ্রহ করে নিম্নমানের খাদ্যপণ্য বাজারজাত করা হচ্ছে। এর ফলে মূল উদ্যোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। একই সঙ্গে ভোক্তা সাধারণও প্রতারিত হচ্ছেন। তারা ট্রেডমার্কস নিবন্ধন এবং পণ্য বাজারজাতকরণের অনুমতি প্রদানের ক্ষেত্রে বিষয়টি সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার পরীক্ষার জন্য ডিপিডিটি এবং বিএসটিআইর প্রতি নির্দেশনা দিতে শিল্পমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। শিল্পমন্ত্রী বলেন, খাদ্যের গুণগতমানের ক্ষেত্রে সরকার কোনো ধরনের ছাড় দেবে না। জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের খাদ্যপণ্য নকলের অসাধু প্রবণতারোধে শিল্প মন্ত্রণালয় কঠোর অবস্থান নেবে।

বিএসটিআই ল্যাবরেটরির সক্ষমতা বৃদ্ধির সুপারিশ

বাংলাদেশ এগ্রো প্রসেসর অ্যাসোসিয়েশনের (বাপা) সভাপতি এ.এফ.এম ফখরুল ইসলাম মুন্সীর নেতৃত্বে এক প্রতিনিধিদল শিল্পমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত্ করেন। এ সময় সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পখাত থেকে বাংলাদেশ সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা আয় করেছে। এ শিল্পখাতের উদ্যোক্তারা বিশ্বের ১শ ৪৪টি দেশে বাংলাদেশি কৃষিজাত পণ্য রপ্তানি করছে। প্রয়োজনীয় নীতি সহায়তা পেলে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এ শিল্পখাতে ১০ হাজার কোটি টাকা রপ্তানি সম্ভব হবে। তারা প্রক্রিয়াজাত খাদ্য পরীক্ষার জন্য বিএসটিআই ল্যাবরেটরির সক্ষমতা বৃদ্ধির সুপারিশ করেন।