প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান বলেছেন, দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের সবচেয়ে বড় মাধ্যম শেয়ারবাজারে। আমাদের পরিসংখ্যানে সঞ্চয়ের যে ঊর্ধ্বগতি দেখা যায়। সে হারে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ বাড়ছে না। তাই বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোর মতো নতুন নতুন খাতে বিনিয়োগ করে এর সুযোগ নিতে হবে। অর্থনীতির গতি বাড়ানোর জন্য পুঁজিবাজার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান।
ড. মসিউর রহমান বলেন, বর্তমানে বেসরকারি খাতের ঋণের প্রবৃদ্ধি কমে গিয়েছে। বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ বৃদ্ধি অর্থনীতির গভীরতা বাড়ানোর অন্যতম মাধ্যম। সে কারণে আমরা যে কোনোভাবে এই বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়াতে চাই। শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের স্বল্প বিনিয়োগই অর্থনীতিতে আরো সমৃদ্ধ করবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
গতকাল রাজধানীর জাতীয় শিল্পকলা একাডেমিতে ৪র্থ ‘ক্যাপিটাল মার্কেট এক্সপো-২০১৯’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা। অনলাইন নিউজ পোর্টাল অর্থসূচক তিনদিনব্যাপী এই এক্সপোর আয়োজন করে। অর্থসূচক সম্পাদক জিয়াউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেন। এছাড়া সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. শাকিল রিজভী ও বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. নাছির উদ্দিন চৌধুরী।
ড. এম খায়রুল হোসেন বলেন, ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের অনেকেরই টিআইএন নম্বর আছে। কিন্তু সরকার বিনিয়োগকারীদের জন্য টিআইএন বাধ্যতামূলক করেনি। তবে টিআইএন থাকলে কর ছাড় পাবেন। কিন্তু এ বিষয়ে যারা পেনিক সৃষ্টি করছে তাদেরকে তিনি সতর্ক করে বলেন, বাজারে এসব বিষয় নিয়ে পেনিক সৃষ্টি করবেন না। আমরা সবসময় বিনিয়োগকারীদের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে আসছি।
শাকিল রিজভী বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, শেয়ার কেনার বিষয়ে ডিএসসি বা বিএসইসির দোষ দিলে চলবে না। শেয়ার কেনা-বেচার বিষয়ে বিনিয়োগকারীদেরই সচেতনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
নাছির উদ্দিন চৌধুরী বলেন, পুঁজিবাজারের কাজ হলো— অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা এবং দেশের কর্মসংস্থান তৈরি করা। এ উদ্দেশ্য সফল করার জন্য এবং ছোট পুঁজির কোম্পানিগুলোর জন্যও সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।
