এফডিসিতে বিশৃঙ্খলা, বিভক্তি!

আপডেট : ০৪ এপ্রিল ২০১৯, ২১:১৫

৩ এপ্রিলকে জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস ঘোষণার পর থেকে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) এবং চলচ্চিত্রের মানুষেরা একসঙ্গে দিনটি বেশ জাঁকজমকভাবে পালন করে আসছে। গতবছরই দিবসটি নিয়ে ঘটে নানা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। এবারও কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ও বিশৃঙ্খলার মাধ্যমে শেষ হলো দিবসটি। মূলত জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস উদ্যাপন কমিটি ও স্থিরচিত্র গ্রাহক সমিতির মধ্যে দুপুরের পর থেকে সন্ধ্যা অবধি তর্ক-বিতর্ক ও হাতাহাতি হতে দেখা যায়। পিটুনির শিকারও হয়েছেন কয়েকজন।

জানা যায়, গতকালের সাংস্কৃৃতিক অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে এমন উত্তপ্ত হয় বিএফডিসির পরিবেশ। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সুযোগ না দেয়াকে কেন্দ্র করে স্থিরচিত্র গ্রাহক সমিতি আলাদা মঞ্চও তৈরি করে।

স্থিরচিত্র গ্রাহক সমিতির এক কর্মী বলেন, ‘আমরাও এই অনুষ্ঠানে পারফর্ম করতে চেয়েছি। কিন্তু আমাদের কোনোভাবেই স্টেজে উঠতে দেয়া হচ্ছে না। চলচ্চিত্র দিবস কি শুধু তাদের?’ এদিকে অভিনেতা জায়েদ খান বলেন, ‘কারা এই অনুষ্ঠানে পারফর্ম করবে তা আরো আগে থেকেই ঠিক করা ছিল। একটা নির্দিষ্ট সময়ও দেয়া হয়েছিল নিবন্ধনের, তারা সেসময়ের মধ্যে নিবন্ধন করেনি।’

 

অব্যবস্থাপনা ছিল লক্ষণীয়

আয়োজনের প্রথম দিনের আয়োজন নিয়ে উঠেছে কিছু আপত্তি ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ। প্রতি বছর চলচ্চিত্র দিবসে নতুন-পুরোনো চলচ্চিত্রের পোস্টার দিয়ে বিএফডিসি সাজানো হলেও এবার যেসব ব্যানার টানানো হয়েছে, সেগুলোর ভেতর চলচ্চিত্রের পোস্টার ছাপানো হয় খুব ছোট করে। তবে ফিল্ম আর্কাইভের ব্যানারগুলো ছিল পোস্টার দিয়ে। উদ্বোধন অনুষ্ঠান চলার সময়ও বাঁশ লাগিয়ে মঞ্চ প্রস্তুতের কাজ চলছিল। ওপরে শামিয়ানা টানানোর কাজও সম্পন্ন হয়নি। তাই প্রথম দিন চলেছে মঞ্চ প্রস্তুতের কাজ। যেখানে সেখানে পড়েছিল বাঁশ। উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে শুরু হয় র্যালি।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির মহাসচিব বদিউল আলম খোকন বলেন, ‘প্রতি বছরই আমরা বিএফডিসির মানুষ এই আয়োজনগুলো করে থাকি। তবে এ বছর রাউন্ড দ্য ক্লক নামে একটি ব্যবস্থাপনা কোম্পানি কাজগুলো করেছে। আমি এ বিষয়ে কিছু বলতে পারব না।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, বিএফডিসির এক কর্মী বলেন, প্রথমদিনে তো একদিকে অনুষ্ঠান অন্যদিকে কাজ ছিল। আগে যখন বিএফডিসির মানুষগুলো সব আয়োজন করত, তখন উত্সবের আমেজ ছিল।