দেশবাসীর নিরাপত্তা আমার সরকারের অগ্রাধিকার

আপডেট : ২২ জুন ২০১৭, ০২:২১

ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ বলেছেন, ব্রিটিশ জনগণের নিরাপত্তা বিধান করা তার সরকারের অগ্রাধিকার। সরকারের মন্ত্রীরা পার্লামেন্টে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার জন্য সদা প্রস্তুত। আর ব্রিটেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে বেরিয়ে আসার প্রক্রিয়ায় ব্যস্ত আছে। এই সময়টাতে দেশবাসীকে ধৈর্য্য ধারণ করতে হবে।

গতকাল বুধবার ব্রিটিশ পার্লামেন্টে নিজের ভাষণে এসব কথা বলেন রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ। পার্লামেন্টের বাত্সরিক অধিবেশনের শুরুতে সরকারের পক্ষে রানি যে বিল ও নীতি উপস্থাপন করেন তাকে ‘কুইন্স স্পিচ’ বলা হয়। এই ভাষণের বড় অংশ জুড়ে ছিল বেক্সিট নিয়ে। তিনি জানান, বেক্সিট  কার্যকরের পর ব্রিটেনকে নতুন অনেক আইন প্রণয়ন করতে হবে। কারণ বর্তমানের আইনগুলোর সঙ্গে ইইউ’র সম্পর্ক আছে। এগুলো রদবদলের পর নতুন ব্রিটেনের যাত্রা শুরু হবে। তিনি বলেন, তার সরকার জনগণের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার চেষ্টা চালিয়ে যাবে। ট্যাক্স কমিয়ে রাখবে। নারী-পুরুষের ভেতর যেসব বৈষম্য বিদ্যমান তা আরো কমিয়ে আনারও চেষ্টা করা হবে বলে রানী তার ভাষণে উল্লেখ করেন।

গতকাল ‘কুইন স্পিচ’-এর মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু হলো থেরেসা মে’র দ্বিতীয় মেয়াদের সরকারের। এখনো পর্যন্ত কোয়ালিশন পার্টনার যোগাড় করতে পারেননি বিধায় থেরেসার সরকারকে ‘সংখ্যালঘু সরকার’ নামে অভিহিত করা হচ্ছে। সরকারের পক্ষে রানির ভাষণে  ২৭টি আইনের খসড়া প্রস্তাব করা হয়। এরমধ্যে আটটি প্রস্তাব ছিল ব্রেক্সিট সংক্রান্ত। ডিইউপিকে সঙ্গে নিয়ে ঝুলন্ত পার্লামেন্ট গড়ার চেষ্টায় ছিলেন থেরেসা। তবে এখনও পর্যন্ত তাদের সমঝোতা হয়নি। আর তাই সংখ্যালঘু সরকার গঠনেই বাধ্য হলেন শীর্ষ কনজারভেটিভ নেতা। রানির ভাষণের আগে নতুন সরকারকে এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতেই হবে এমন বিধি ব্রিটেনের অলিখিত সংবিধানে নেই।

ইত্তেফাক/নূহু