রাজধানীর উত্তর খান দোবাদিয়া বেপারী পাড়া নামকস্থানে এক নারীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। আবেদা খাতুন (৫০) নামে ওই নারীর লাশ পুলিশ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। এদিকে রাজধানীর গুলিস্থান জিরো পয়েন্টে যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে সিএনজি অটোরিকশার সংঘর্ষে অটোরিকশা চালক নিহত হয়েছেন। সিএনজিতে থাকা ৪ যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত চালকের নাম মো. জামাল হোসেন (৪০)।
পুলিশ জানায়, উত্তর খান দোবাদিয়া বেপারী পাড়ার মৃত শেখ দেলু মিয়ার মেয়ে আবেদা। ৬৩/২/এ দোবাদিয়া বেপারী পাড়ার বাসায় তিনি থাকতেন। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ২ রুম বিশিষ্ট টিনের ছাপড়া ঘরের মাঝখানে বাথরুমের মেঝেতে উপুড় অবস্থায় তাকে পাওয়া যায়। তার বাম হাত পেছনে ডান হাত সামনের দিকে ভাজ করা ছিল। রক্তাক্ত অবস্থায় মেয়ে আলিফ লায়লা আদুরীর কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে দুপুরে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়।
জানা যায়, ভোর সাড়ে ৪টার দিকে নামাজের জন্য ঘুম থেকে উঠে বাথরুমে ওজু করতে গেলে দুর্বৃত্তরা তার মাথায় ও শরিরে এলোপাতারি কোপায়। তার চিৎকারে মেয়ে আদুরী বের হবার চেষ্টা করে ব্যর্থ হলে স্বজনদের মোবাইল ফোনে খবর দেন। স্বজনরা এসে বাইরে থেকে লক করা দরজা খুলে পরে দেখতে পান তার মায়ের রক্তাক্ত মৃতদেহ মেঝেতে পড়ে আছে।
এদিকে, গুলিস্থানে আহতদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। আহতরা হলেন, কচুক্ষেতে বাজার সংলগ্ন আলামিন মসজিদের ঈমাম মুফতী হাবিব উল্লাহ (৪৫), তার সঙ্গে থাকা আরেকজন মো. জাহাঙ্গীর (৩০) এবং অপর দুইজন হলেন- মাছ ব্যাবসায়ী মো. জামাল (৪২) ও উসমান (৩৫)।
আহতদের সূত্রে জানা গেছে, সিএনজি অটোরিকশাটি ক্যান্টনমেন্ট কচুক্ষেত থেকে যাত্রাবাড়ী যাচ্ছিলেন। সকাল সোয়া ৬ টার দিকে গুলিস্তান জিরো পয়েন্টের মোড়ে বাসের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশের টিআই আব্দুল খালেক তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। এর মধ্যে চালক সকাল পোনে ৭টায় মারা যান। বাকিরা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহত জাহাঙ্গীরের ভগ্নিপতি সুলতান জানান, জাহাঙ্গীর ও ঈমাম সাহেব যাচ্ছিলেন নারায়নগন্জ পাগলা মাদ্রাসার জন্য জমি দেখার জন্য। আর বাকী দুইজন যাচ্ছিলেন যাত্রাবাড়ী মাছের আরতে। তারা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ইত্তেফাক/কেকে
