চট্টগ্রাম আদালতে জেলা পুলিশের মালখানায় চুরির ঘটনায় নগরীর কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা হয়েছে। ঘটনার ১৭ দিন পর মঙ্গলবার রাতে মামলাটি দায়ের করেন জেলা পুলিশের পরিদর্শক (প্রসিকিউশন) বিজন কুমার বড়ুয়া। এজাহারে উল্লেখ করা হয়, মালখানায় চুরির ঘটনায় চারটি থানায় দায়ের হওয়া চার মামলার আলামত খোয়া গেছে। আলামত হিসেবে বিদেশি মুদ্রা থাকলেও বাংলাদেশি নগদ টাকা ছিল না। আলামতের মধ্যে ছিল ফটিকছড়ি থানায় ২০০৪ সালের সেপ্টেম্বরে দায়ের হওয়া একটি মানিলন্ডারিং আইনের মামলার আলামত দুটি হুন্ডি’র টোকেন। হাটহাজারী থানায় ২০০৫ সালের জুলাইয়ে দায়ের হওয়া আরেকটি মানিলন্ডারিং মামলার আলামত হিসেবে রাখা ১২টি হুন্ডির টোকেন। পটিয়া থানায় ২০০৫ সালের অক্টোবরে দায়ের হওয়া বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলার আলামত দেড় হাজার টাকা সমমানের আফগানিস্তানের মুদ্রা, ইরানি ২৫ দিনার, ইয়েমেনের ৫০ রিয়েল মুদ্রা। এছাড়া ফটিকছড়ি থানায় ২০১৮ সালের এপ্রিলে দায়ের হওয়া মাদক আইনের একটি মামলার আলামত ইসলামি ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক এবং ডাচ বাংলা ব্যাংকের কয়েকটি চেক বই। মামলার বাদী বিজন কুমার বড়ুয়া বলেন, মালখানায় প্রথমে আমরা ২৭ লাখ টাকার গরমিল পেয়েছিলাম। তবে তালিকা ধরে খুঁজে খুঁজে এখন আমরা সেই ২৭ লাখ টাকার হিসাব পেয়েছি।
