চাল আমদানিতে শুল্ক হ্রাসের প্রভাব পড়েনি বাজারে

আপডেট : ০৬ জুলাই ২০১৭, ০৯:২৮
 
হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে কম শুল্কে চাল আমদানি হলেও পাইকারি বাজারে এর তেমন প্রভাব পড়ছে না। আমদানি শুল্ক প্রতি কেজি চালে ৬ টাকা কমলেও দেশের বাজারে চালের দাম কমেছে মাত্র ৩ টাকা। এদিকে, বাংলাদেশে চালের আমদানি শুল্ক কমিয়ে দেওয়ার খবরে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা চালের রপ্তানি মূল্য বাড়িয়ে দিয়েছে। যে চাল কিছুদিন আগে প্রতি মেট্রিক টন ৩৯০ থেকে ৪০০ মার্কিন ডলারে আমদানি করা হতো সেই একই চাল এখন ভারত থেকে আমদানি হচ্ছে ৪২০ থেকে ৪৩০ মার্কিন ডলারে। অর্থাৎ প্রতি টনে চালের দাম বেড়েছে ৩০ ডলার।
 
আমদানিকারক হারুনুর রশীদ অভিযোগ করেন, ভারতীয় ব্যবসায়ীদের কারসাজির কারণেই দেশের বাজারে চালের দাম আশানুরূপ কমছে না। হিলি স্থলবন্দরের আড়তগুলোতে ভারত থেকে আমদানি করা প্রতি কেজি মোটা জাতের স্বর্ণা চাল আগে ৪২ থেকে ৪৩ টাকায় বিক্রি হলেও এখন তা বিক্রি হচ্ছে ৩৯ টাকায়। আর চিকন রত্না চাল আগে ৪৪ টাকায় বিক্রি হলেও এখন বিক্রি হচ্ছে ৪১ টাকা কেজিতে।
 
দেশের খোলাবাজারে ভোক্তা পর্যায়ে চালের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে গত ২০ জুন চালের আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ নির্ধারণ করে সরকার। সেই সঙ্গে ৩ শতাংশ রেগুলেটরি ডিউটিও পুরোপুরি তুলে নেওয়া হয়। এতে প্রতি কেজি চালের দাম ৬ থেকে ৭ টাকা কমার কথা থাকলেও বাস্তবে দাম কমেছে মাত্র ৩ টাকা। যা ভোক্তা পর্যায়ে তেমন কোনো প্রভাব পড়ছে না বলে মনে করেন বন্দরের সাধারণ চাল ব্যবসায়ীরা। ভোক্তা পর্যায়ে চালের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে যে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার তা পুরোপুরি কাজে আসছে না বলে অভিযোগ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হিলি স্থলবন্দরে চাল নিতে আসা ব্যবসায়ীদের।
 
 
ইত্তেফাক/এমআর