ধর্ষণের অভিযোগ না নেওয়ায় ওসিসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট : ০৫ এপ্রিল ২০১৯, ০০:২৮

অপহরণ ও গণধর্ষণের অভিযোগ না নেওয়ায় রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার ওসি কাজী ওয়াজেদ আলী মিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন এক নারী (২৭)। গতকাল ঢাকার ৩ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে এ মামলা করা হয়। বিচারক জয়শ্রী সমদ্দার অভিযোগের বিষয় বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার অপর আসামিরা হলেন- এসআই আ.স.ম মাহমুদুল হাসান ও মোছা. লাইজু। এছাড়া মো. শফিকুল ইসলাম রনি, মো. সাগর, মো. শামীম, মো. আলাউদ্দিন, দেলোয়ার হোসেন, মো. হানিফ, মো. স্বপন, বিলকিস আক্তার শিলা ও ফারজানা আক্তার শশীর বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগে আসামি করা হয়েছে। ওসি কাজী ওয়াজেদ আলী বলেন, তিন নারীকে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে আটক করা হলে আদালতে তারা জরিমানা দিয়ে মুক্তি পান। এ ঘটনার পর গতকাল জানতে পারি, অভিযুক্ত এক নারী আদালতে মামলা করেছেন।

মামলায় বলা হয়, পূর্বপরিচিত রনি চাকরি দেয়ার কথা বলে ১২ মার্চ শশী ও শিলার ফ্ল্যাটে নিয়ে যান। এরপর তাদের সহযোগিতায় স্বপন তাকে ধর্ষণ করেন। এসময় শশী ও শিলা মেরে ফেলা এবং ধর্ষণের ভিডিও ছেড়ে দেয়ার হুমকি দেয়। এরপর জীবন, বিপ্লব, হানিফ, সাগর  ও আলাউদ্দিনসহ ১০/১২ জন লোক ইয়াবা সেবন করে ধর্ষণ করে। পালিয়ে থানায় গেলে এসআই লাইজু শশী ও শিলাকে ১৮ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করে। এরপর এসআই লাইজু বলেন, ওসি ওয়াজেদ, এসআই প্রদীপ কুমার ও আয়ান মামুদকে ১ লাখ টাকা ঘুষ দিলে ধর্ষণের মামলা হবে। না দিলে অন্য মামলায় জড়ানো হবে। গত ১৮ মার্চ ঘুষের টাকা না দিতে পারায় পতিতা সাজিয়ে আদালতে প্রেরণ করেন ওসি ওয়াজেদসহ দুই এসআই। শশী ও শিলা ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হলেও কোনো মামলা হয়নি। উল্টো পতিতা সাজিয়ে আদালতে পাঠানো হয় এবং ধর্ষণের ঘটনা চাপা পড়ে যায়।