এফ আর টাওয়ারের অনুমোদন ১৮ তলার

আপডেট : ০৫ এপ্রিল ২০১৯, ০০:২৮

বনানীর এফ আর টাওয়ারের ২৩ তলা পর্যন্ত উঠলেও তার অনুমোদন ১৮ তলা পর্যন্তই ছিল বলে জানিয়েছেন ভবনটির অগ্নিকাণ্ড তদন্তে গঠিত রাজউকের কমিটির এক সদস্য। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বহুতল এই বাণিজ্যিক ভবনের উপরের পাঁচটি তলা অবৈধভাবে তোলা হয়েছিল। এই ভবনটি নির্মাণকারী রূপায়ন হাউজিং এস্টেট দাবি করেছিল, অনুমতি নিয়েই ভবনটি ২৩ তলা করা হয়। রাজউকের তদন্ত দলের সদস্য বুয়েটের অধ্যাপক ড. মেহেদী আহমেদ আনসারী গতকাল বৃহস্পতিবার অনলাইন গণমাধ্যম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেছেন, রাজউকের যেসব কাগজপত্র তারা দেখেছেন তাতে ১৮ তলা পর্যন্ত অনুমতি থাকার প্রমাণ পেয়েছেন। এই ভবন নিয়ে রাজউকের কাছে যেসব ডকুমেন্ট আছে। তাতে দেখা গেছে বেইজমেন্টে দুই তলা এবং উপরে ১৮ তলার অনুমোদন আছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজউকের চেয়ারম্যানের কাছে কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

এফ আর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের পর রাজউকের সদস্য (উন্নয়ন) শামসুদ্দিন আহমেদ চৌধুরীকে প্রধান করে গঠিত তদন্ত কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন— রাজউকের প্রধান প্রকৌশলী আবদুল লতিফ হেলালী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ কুদরত উল্লাহ, বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মেহেদী আহমেদ আনসারী, অধ্যাপক ইশতিয়াক আহমেদ এবং অধ্যাপক ড. সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ। বনানীর ৩২, কামাল আতাতুর্ক এভিনিউয়ের এই ভবনের জমির মূল মালিক প্রকৌশলী এস এম এইচ আই ফারুক। নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ভবনের সাড়ে ৮টি ফ্লোরের মালিকানা ছিল রূপায়ন হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের হাতে।