রাজধানীর কদমতলীতে পৃথক স্থান থেকে দুই নারীর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।গ্রেফতারকৃতরা হলেন- রাজিব, জামাল, সোহাগ, শামীম ও জাকির।
ওই দুই নারীকে পরিকল্পিতভাবে গণধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গত ১৮ জুন কদমতলী থানার নামা শ্যামপুরের ভাড়া বাসায় পারুল নামে গৃহবধূ তারই সহকর্মীদের হাতে ধর্ষণের শিকার হন। এ ঘটনায় পুলিশ রাজিব ও জামালকে গ্রেফতার করে।
অপরদিকে, ১০ জুলাই জুরাইন শিশু কবর সংলগ্ন গনি মিয়ার বাড়ির দোতলার ফ্ল্যাটে ফাতেমা বেগমকে (৩০) ধর্ষণের পর হত্যা করে পালিয়ে যায় ঘাতকরা। এ ঘটনায় পুলিশ ফাতেমার সহকর্মী সোহাগ, শামীম ও জাকিরকে গ্রেফতার করে।
কদমতলী থানার ওসি হাজী ওয়াজেদ আলী জানান, ওই দুই নারী হত্যার ঘটনাটি প্রথমে টুলেট অবস্থায় ছিল।পারুলের স্বামী লিটন একজন গাড়ি চালক। পারুল কীটনাশক বিক্রির প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী। ওই প্রতিষ্ঠানের সহকর্মী রাজিব ও জামাল ১৮ জুন এক সঙ্গে ইফতারির কথা বলে পারুলের বাসায় আসে। সঙ্গে হালিম ও সফট ড্রিংকস নিয়ে যায়। এই দুইটি খাবারের উপাদানে ঘুমের ওষুধ মিশানো ছিল। ইফতারির সময় হালিম ও সফট ড্রিংকস খেলে পারুল অচেতন হয়ে পড়েন। ওই অবস্থায় রাজিব ও জামাল উপর্যপুরি ধর্ষণ করে। পারুলের জ্ঞান ফিরে এলে তারা ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।
ইত্তেফাক/কেকে
