পাঁচ চিকিত্সক দিয়ে চলছে ৫০ শয্যার হাসপাতাল

আপডেট : ০৫ এপ্রিল ২০১৯, ২১:৩৬

সিজার বন্ধ দীর্ঘদিন!

সোনাতলা (বগুড়া) সংবাদদাতা

বগুড়ার সোনাতলায় ৫০ শয্যা উপজেলা স্বাস্থ্য হাসপাতালে (স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে) নিয়মানুযায়ী চিকিত্সক থাকার কথা ২১ জন। সে স্থলে কর্মরত রয়েছেন আটজন। এরমধ্যে আবার দু’জন প্রেষণে ও একজন মাতৃত্ব ছুটিতে আছেন। বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাসহ মাত্র পাঁচজন চিকিত্সক দিয়ে এই হাসপাতালে চিকিত্সা সেবা চলছে। কর্মচারীর পদও শূন্য রয়েছে ২৫টি। জনবল সংকট থাকায় বিঘ্নিত হচ্ছে চিকিত্সা সেবা। দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন জনসাধারণ।

এ হাসপাতালে সিজার কাজের জন্য ওটি বিভাগ চালু হয় ২০০১ সালে। সে সময় এ্যানেসথেসিয়া ডাক্তার হিসেবে দু’জন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে দু’জনই অন্যত্র বদলি হওয়ায় পদ দুটি শূন্য হয়। ফলে সিজার কাজ বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘদিন পর শূন্য পদ দুটি পূরণ হলে চালু হয় সিজার কাজ। ২০১৪ সালের মাঝামাঝির দিকে তারাও বদলি হলে তখন থেকে অদ্যাবধি সিজারের কাজ বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে ওটি বিভাগে এ্যানেসথেসিয়া ও গাইনি ডাক্তার নেই।

হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স শাহানাজ সুলতানা জানান, এ্যানেসথেসিয়া ও গাইনি ডাক্তারের শূন্য পদ পূরণ হলে হাসপাতালে আবার চালু করা সম্ভব হবে সিজার কাজ। দীর্ঘদিন চালু না করায় এ্যানেসথেসিয়া মেশিন ও অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র নষ্ট হতে চলেছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সোনাতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওষুধ সংকট নেই। তবে চিকিত্সক ও কর্মচারী সংকট রয়েছে। জনবলের হালনাগাদ তথ্য বগুড়া সিভিল সার্জন অফিসে প্রতিমাসে পাঠানো হয়। পাঁচজন চিকিত্সক দিয়ে চলছে ৫০ শয্যার হাসপাতালের চিকিত্সা সেবা। যেসব পদ শূন্য রয়েছে তা সবই পূরণ হওয়া প্রয়োজন। তবে এ্যানেসথেসিয়া ও গাইনি ডাক্তার বিশেষ প্রয়োজন। এ দু’টি পদ পূরণ হলে ওটি বিভাগে সিজার কাজ চালু করা যাবে। হাসপাতালের জেনারেটর দীর্ঘদিন থেকে বিকল অবস্থায় ছিল। তা সচল করা হয়েছে।

তিনি বলেন, জনবল সংকট হওয়ায় কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কাজের চাপ বেড়েছে। শূন্য পদগুলো পূরণ হলে কাজের গতি বাড়বে।