দীর্ঘ এক মাস সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিত্সা নেয়ার পর ছাড়া পেয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। গতকাল শুক্রবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টায় হাসপাতাল থেকে তাকে ছাড়পত্র দেয়া হয়। তবে চিকিত্সকদের পরামর্শে ফলোআপ চিকিত্সার জন্য আরো ২/৩ সপ্তাহ তিনি সিঙ্গাপুরে ভাড়া বাসায় থাকবেন।
সিঙ্গাপুরে ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে থাকা তার চিকিত্সা সমন্বয়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক অধ্যাপক ডা. আবু নাসার রিজভী হাসপাতালের লবিতে কথা বলার সময় এ তথ্য জানান। সিঙ্গাপুর সময় বেলা সোয়া ৩টায় একটি কালো গাড়িতে করে হাসপাতাল ছাড়েন ওবায়দুল কাদের। এ সময় উপস্থিত আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী ও প্রবাসী বাংলাদেশী সবার উদ্দেশে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান তিনি। হাসপাতালের পাশেই তার জন্য বাসা ভাড়া করা হয়েছে। ডা. রিজভী জানিয়েছেন, ওবায়দুল কাদেরের হার্ট, ব্লাড প্রেশার, ডায়াবেটিস সব রিপোর্টই ভালো আছে।
গত ৩ মার্চ সকালে শ্বাসকষ্ট নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ভর্তি হন ওবায়দুল কাদের। সেখানে এনজিওগ্রাম করার পর তার করোনারি ধমনিতে তিনটি ব্লক পান চিকিত্সকরা। উন্নত চিকিত্সার জন্য পরদিনই তাকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়। গত ২০ মার্চ মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে মন্ত্রীর বাইপাস সার্জারি সম্পন্ন হয়। ওবায়দুল কাদেরের হাসপাতাল ত্যাগ করার সময় হাসপাতালের বহির্গমন পথে ভক্ত-সমর্থকরা জড়ো হয়েছিলেন। হাসপাতাল ছাড়ার আগে শুক্রবার সকালে তোলা ওবায়দুল কাদেরের একাধিক ছবি পাওয়া গেছে। তাতে দেখা যায়, দীর্ঘ চিকিত্সা আর জটিল সব অস্ত্রোপচারের ধকল কাটিয়ে তিনি এখন যথেষ্টই সুস্থ। মুজিব কোট পরিহিত কাদেরকে হাস্যোজ্জ্বল দেখা যায়।
