বগুড়ায় ছাত্রী ও তার মাকে নির্যাতনের ঘটনায় ওই ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মঙ্গলবার তার ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে। সেইসঙ্গে বিকেলে ঘটনার বিবরণ তুলে ধরে ২২ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জবানবন্দি প্রদান করেছে ওই ছাত্রী।
গ্রেফতার কাউন্সিলর রুমকি, শ্রমিকলীগ নেতা (বহিষ্কৃত) তুফান সরকার ও তাদের সহযোগীদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।
মঙ্গলবার বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছে শহরে। এদিকে নির্যাতিত শিক্ষার্থী ও তার মা এখনও বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এদিকে ছাত্রীকে ধর্ষণ এবং তাকেসহ তার মাকে নির্যাতন করে মাথা ন্যাড়া করে দেওয়ার ঘটনায় দায়ের হওয়া দুটি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বগুড়া সদর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) আবুল কালাম আজাদ জানান, মামলায় গ্রেফতার মোট ১১জন আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রয়েছে। অনেক তথ্যই বেরিয়ে আসছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এখনই বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন তিনি।
তদন্ত কর্মকর্তা আরও জানান, মঙ্গলবার ওই ছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। বগুড়া শজিমেক হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসকরা এটি সম্পন্ন করেছেন। সেইসাথে ভিকটিম ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বগুড়ার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শ্যাম সুন্দর রায়ের কাছে জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেছে।
প্রসঙ্গত, বগুড়ায় এক ছাত্রীকে ধর্ষণ এবং পরে তাকে সহ তার মাকে নির্যাতন করে মাথা ন্যাড়া করে দেওয়ার ঘটনায় দায়ের করা দুটি মামলায় মোট ১১ জনকে রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। এরমধ্যে মঙ্গলবার পৌর কাউন্সিলর মার্জিয়া হাসান রুমকিকে চারদিন এবং অপর পাঁচ আসামিকে দুইদিন করে রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। এরআগে আদালতের দেয়া আদেশের ভিত্তিতে সোমবার প্রধান অভিযুক্ত শ্রমিকলীগের বহিষ্কৃত নেতা তুফান সরকার সহ তিনজনকে তিনদিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।
ইত্তেফাক/জামান
