ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) দুই শিক্ষক একাধিকবার প্রশাসনের অনুমতি না নিয়ে দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থাকায় তাদের চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। শুক্রবার বেলা ১১টা থেকে দিনব্যাপী ২৪৪তম সিন্ডিকেট সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার দপ্তর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এসএম আব্দুল লতিফ বলেন,‘ একাধিকবার কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ বিশ্ববিদ্যালয়ে উপস্থিত না থাকায় আইন বিভাগের প্রফেসর ড. গাজী ওমর ফারুককে বাধ্যতামূলক অবসর এবং ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশ ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ড. মো: তারিকুজ্জমানকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।
একই সাথে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগের ভিত্তিতে ইংরেজী বিভাগের প্রফেসর শাহাদত হোসেন আজাদ পদাবনিত করে এ্যাসোসিয়েট প্রফেসর এবং বাংলা বিভাগের এ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ড. বাকী বিল্লাহ বিকুলকে পদাবনিত করে এ্যাসিটেন্ট প্রফেসর করা হয়েছে। ছাত্রীকে মানসিক নির্যাতনের অভিযোগে ফিন্যান্স এন্ড ব্যাকিং বিভাগের এ্যাসোসিয়েট প্রফেসর সঞ্জয় কুমার সরকারকে ওই ছাত্রীর সকল ক্লাস ও পরীক্ষা কমিটি থেকে বিরত করা হয়েছে। এছাড়াও তেল চুরির অভিযোগের ভিত্তিতে মনসুর আলী নামের এক ড্রাইভারকে বাধ্যতামূলক অবসরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. রাশিদ আসকারী বলেন,‘ বর্তমান সরকারের প্রথম এজেন্ডা দুর্নীতি দমন। সুতরং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে সম্পূর্ণভাবে দুর্নীতিমুক্ত করনের এটি একটি পদক্ষেপ। বর্তমান বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা সহ বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে আসতে চায়।’
ইত্তেফাক/আরকেজি
