রাজধানীর খিলগাঁও থানাধীন দক্ষিণ বনশ্রীতে গৃহকর্মী লাইলী বেগমের (৩৫) রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় খিলগাঁও থানায় দুইটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই ঘটনায় শনিবার সকালে দক্ষিণ বনশ্রী বি-ব্লকের ৪ নম্বর রোডের ১৪ নম্বর বাড়ি থেকে গৃহকর্ত্রী শাহনাজ বেগমকে পুলিশ গ্রেফতার করে। এই নিয়ে এই ঘটনায় গ্রেফতারের সংখ্যা দাঁড়ালো তিন। শুক্রবার ওই বাড়ি থেকে গৃহকর্তা মাইনুদ্দিন মুন্সি ও কেয়ার টেকার তোফাজ্জল হোসেনকে গ্রেফতার করে।
খিলগাঁও থানার ওসি কাজী মাইনুল ইসলাম জানান, তাকে শুক্রবার রাতে লাইলী বেগমের ভাসুর শহীদুল ইসলাম বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। মামলায় মাইনুদ্দিন মন্সি শাহনাজ বেগম ও তোফাজ্জল হোসেনকে আসামি করা হয়। অপরদিকে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ ও পুলিশের কর্তব্যকাজে বাধাদানে এসআই মঞ্জুর রহমান বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন। মামালায় অজ্ঞাত ৩/৪’শ ব্যক্তিকে আসামি করা হয়। হত্যা মামলায় গ্রেফতার তিনজনকে দুপুরে সাতদিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার রাতে দক্ষিণ বনশ্রীর পরিস্থিতি শান্ত হয়ে এলেও শনিবার সকাল থেকে সেখানে পুলিশ ও র্যাব মোতায়েন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, শুক্রবার সকালে দক্ষিণ বনশ্রীর সাবেক কাস্টমস কর্মকর্তা মাইনুদ্দিন মুন্সির বাড়ির নিচতলার একটি কক্ষ থেকে গৃহকর্মী লাইলী বেগমের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় বনশ্রীর আশেপাশের বস্তির সহস্রাধীক বাসিন্দা বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। তারা গৃহকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে এমন অভিযোগ এনে বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। এক পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। শুক্রবার সন্ধ্যায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
ইত্তেফাক/এমআই
