খালেদা জিয়া-তারেক রহমানের মামলা প্রত্যাহারের দাবি নিউইয়র্ক বিএনপির

আপডেট : ০৮ আগস্ট ২০১৭, ১৪:৪২
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সকল মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির একাংশ। 
 
স্থানীয় সময় রবিবার নিউইয়র্কে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতৃবৃন্দ বলেন, নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকার প্রতিষ্ঠা এবং বিএনপিকেও অবাধে নির্বাচনী সভা-সমাবেশ করতে দেয়ার অঙ্গিকার করলেই সামনের নির্বাচনে বিএনপি যোগদান করবে।
 
নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটসে একটি পার্টি হলে অনুষ্ঠিত এ সংবাদ সম্মেলন ও আলোচনা সভা থেকে আওয়ামী লীগের নেতাদের কঠোর সমালোচনা করে আরও বলা হয়, ‘চিকিৎসা এবং পুত্র-পুত্রবধূ, নাতি-নাতনীদের সান্নিধ্যে সময় কাটানোর জন্যে লন্ডন সফররত খালেদা জিয়া সম্পর্কে যে ধরনের মন্তব্য ও মতামত প্রকাশ করা হচ্ছে তা গণতান্ত্রিক রীতি-নীতির পরিপন্থি। তিনবারের সাবেক একজন প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে এমন দায়িত্বহীন ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য প্রদানের মধ্য দিয়ে ক্ষমতাসীন দল প্রকারান্তরে নিজেদের দেউলিয়াত্মকেই স্পষ্ট করেছেন। একইভাবে আবারও বিএনপিকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখার মতলবে সরকার বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করছে। এর মধ্য দিয়ে তারা আগের মত আবারও একদলীয় শাসন কায়েম করে রাষ্ট্রীয় সম্পদ হরিলুটের পথ সুগম রাখতে চাইছে বলে অভিযোগ করা হয় সংবাদ সম্মেলন থেকে। 
 
সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্য উপস্থাপনের পর সংক্ষিপ্ত এক আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতা ও তারেক পরিষদের চেয়ারপারসন আকতার হোসেন বাদল বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের গুরুত্বপূর্ণ দুই কর্মকর্তা ভারত সফর করলেও ঢাকায় যাবার পরিকল্পনা বাতিল করেছেন। কারণ, বাংলাদেশে ক্ষমতাসীন সরকার নির্বাচিত নয় এবং তারা লাগাতারভাবে বিরোধী দল দমনে লিপ্ত রয়েছে। সরকারের অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদ করলেও গুম হতে হচ্ছে অথবা জেলে নেয়া হচ্ছে।
 
এক প্রশ্নের জবাবে চাঁদপুর-৫ আসন (শাহরাস্তি-হাজিগঞ্জ) থেকে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী আকতার হোসেন বাদল বলেন, নির্বাচন নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হলে ২৮০ আসনের অধিক পাবে বিএনপি। ক্ষমতা হারানোর এই আতংকে আওয়ামী লীগের নেতারা বিএনপির নেতা বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের বিরুদ্ধে লাগাতার বিষোদগার করছেন।
 
সংবাদ সম্মেলন সঞ্চালনা করেন বিএনপি নেতা ও তারেক পরিষদের সিনিয়র জয়েন্ট সেক্রেটারি হুমায়ূন কবির। নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরও ছিলেন সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট কাজী মো. আসাদউল্লাহ, যুগ্ম মহাসচিব আনিসুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক হুমাূন কবীর, সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম অপু প্রমুখ। 
 
ইত্তেফাক/এমআই