চরভদ্রাসনে দুইদিনে পদ্মার ভাঙনে ২০ বাড়ি বিলিন

আপডেট : ১৪ আগস্ট ২০১৭, ১৪:০৩
ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় গত দুই দিনে পদ্মা নদীর ভাঙনে ২০টি বাড়ি, ১৫বিঘা ফসলী জমি ও বিভিন্ন প্রজাতির দুই শতাধিক গাছ বিলিন হয়ে গেছে। আতঙ্কে রয়েছে নদী পাড়ের মানুষ ও চরম হুমকিতে রয়েছে ফাজেল খার ডাঙ্গী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। গত শনিবার সন্ধ্যার পর থেকে ভাঙন শুরু হয়। এতে উপজেলার সদর ইউনিয়নের বড় বালিয়াডাঙ্গী গ্রামের বাসিন্দা মরহুম ডা. আব্দুর রশিদ, মুক্তিযোদ্ধা সোকেল মোল্যা, হাজেরা খাতুন, জালাল খান, জালাল শেখ, উজ্জল খান, রশিদ মোল্যা, ফরহাদ মোল্যা, বারেক খান, জুয়েল, রাজ্জাক মোল্যা, ইমান খা, হায়দার খা, ফারুক খা ও রাজা খাসহ আরও কয়েকটি পরিবারের বসত ভিটে নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায়। এলাকাবাসীর সহযোগিতায় বসতবাড়ির কিছু অংশ অন্যত্র সরিয়ে নেয় তারা। 
 
রবিবার বিকেলে ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, চলতি বর্ষা মৌসুমে নদীর পানি বৃদ্ধি ও স্রোতের তোড়ে ভাঙনের করাল গ্রাসে পরিবারগুলো তাদের বাড়ি ঘড় অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছে। এদের অনেকেই আশেপাশের সরকারি রাস্তায় আশ্রয় নিচ্ছে। 
 
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সগীর হোসেন ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এ বিষয়ে ইউএনও বলেন ‘আমি ও জেলা প্রশাসক মহোদয় ভাঙনের বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোডের্র সাথে কয়েকবার আলাপ করেছি। যাতে ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়’। IMG0
 
এ বিষয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান এজিএম বাদল আমিন বলেন, পদ্মা নদীর ভাঙনে শুধু কয়েকটি গ্রাম নয় চরম হুমকীর মুখে রয়েছে এখানকার সরকারি বেসরকারি স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল ও উপজেলা পরিষদ। তিনি বলেন, দ্রুত পদ্মা নদীর ভাঙন রোধ করা না হলে ধীরে ধীরে বিলিন হয়ে যাবে চরভদ্রাসন উপজেলার অস্তিত্ব।
 
ইত্তেফাক/এমআই