ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন বলেছেন, আগস্ট মাস সমগ্র বাঙালি জাতির জন্য শোকের মাস। এই মাসের ১৫ আগস্ট খালেদা জিয়ার ভুয়া জন্মদিন পালনের নামে জাতীয় শোক দিবসের ভাবগাম্ভীর্যের ম্লান করার চেষ্টা করলে সঙ্গে সঙ্গে তা প্রতিহত করা হবে।
সোমবার সকালে ছাত্রলীগ আয়োজিত ‘স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির’ উদ্বোধনের সময় তিনি এ কথা বলেন। ১৫ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের(বিএমএ) সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহি উদ্দিন, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের(স্বাচিপ) সভাপতি ডা. এম ইকবাল আর্সলান, বিএমএ মহাসচিব ডা. এহতেশামুল হক চৌধুরী, স্বাচিপ মহাসচিব ডা. এম এ আজিজ, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ, ঢাবি শাখার সভাপতি আবিদ আল হাসান, সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন প্রিন্স সহ ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ।
দেশের বিভিন্ন জেলায় বন্যা কবলিত অসহায় মানুষের পাশে দাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, বন্যা দুর্গত এলাকায় গিয়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা স্যালাইন, খাবার সহ ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করবে এবং বন্যা কবলিত অসহায় মানুষের পাশে থেকে সাহায্য করবে।
IMG0
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর নিজ হাতে গড়া সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা দেশের যে কোন অঞ্চলে অসহায় মানুষের পাশে দাড়াতে সব সময় প্রস্তুত। জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে অতীতেও এই সংগঠনটি সবার আগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ অসহায় মানুষের পাশে দাড়িয়েছে। যে কোন সংকট মুহুর্তে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, আগামীকাল ১৫ই আগস্ট দেশের কোথাও বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার ভুয়া জন্মদিন পালন করতে দেবে না ছাত্রলীগ। যদিও কোথাও ভুয়া জন্মদিন পালনের নামে জাতীয় শোক দিবসের ভাবগাম্ভীর্যের ম্লান করার চেষ্টা করা হয় তা সঙ্গে সঙ্গে প্রতিহত করা হবে।
সভায় ছাত্রলীগ সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ বঙ্গবন্ধুর খুনীদের দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়ে বলেন, অনেক ঘাতক এখনো বিদেশের মাটিতে পলাতক রয়েছে। তাদেরকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার করতে হবে।
IMG1
বিএম এ সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহি উদ্দিন বলেন, ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু ঢাবিতে আসার কথা ছিল। সেদিন ভোরে আমরা ক্যাম্পাসে এসে জানতে পারি বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছিল। এ ঘটনার পর বিভিন্ন জাতীয় নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ চেয়েও আমরা তাদের দেখা পায়নি। আমরা ছাত্রলীগ নেতারা চেয়েছিলাম বঙ্গবন্ধুকে হত্যার প্রতিশোধ নিতে। কিন্তু উর্ধ্বতন কারো কাছ থেকে আমরা আশানুরূপ সহযোগীতা পায়নি। সেদিনও ষড়যন্ত্র হয়েছিল। এখনও হচ্ছে। আমাদের সকলকে ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় সতর্ক থাকতে হবে।
বক্তব্য শেষে ছাত্রলীগ সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারন সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন রক্তদানের মধ্যদিয়ে পরবর্তী কর্মসূচির সূচনা করেন।
ইত্তেফাক/রেজা
