লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও ধরলা নদীর পানি বিপদসীমার ১০০সে.মিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিস্তা নদীর তীরবর্তী এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও ধরলা নদীর তীরবর্তী এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। তিস্তা নদীর তীরবর্তী এবং চরাঞ্চলের লোকজন ঘরে ফিরতে শুরু করেছে।
বন্যায় লালমনিরহাট জেলার পাঁচটি উপজেলার ৩৫টি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভার এক লাখ দুইশ' পরিবার বন্যা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইতোমধ্যে সদর উপজেলার মোগলহাট ও কুলাঘাট ইউনিয়নের ধরলা নদীর তীরবর্তী চারটি বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বন্যায় প্রায় ২৬ হাজার হেক্টর ফসলী জমি তলিয়ে গেছে। প্রায় পাঁচ হাজার পুকুরের মাছ ভেসে গেছে। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন দফতর জানায়, বন্যা দুর্গত এলাকায় ১৬০ মেট্রিক টন খয়রাতি চাল ও চার লাখ ৭৫ হাজার টাকা বিতরণ কার্যক্রম চলছে।
এদিকে সমাজ কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোতাহার হোসেন বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন ও বন্যার্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন। এদিকে কর্নেল মর্তুজার নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর তিনটি টিম জেলা সদর, আদিতমারী ও হাতীবান্ধা উপজেলায় বন্যা কবলিত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ, উদ্ধার ও সংস্কারমূলক কাজ শুরু করেছেন। বন্যায় এ পর্যন্ত পাঁচজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
ইত্তেফাক/জামান
