ভারতে ধর্ষণের পর গর্ভবতী হয়ে যাওয়া ১০ বছরের শিশুর সন্তানটি জন্ম নিয়েছে। প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, শিশুটি জানে না যে সে একটি সন্তানের জন্ম নিয়েছে।
শিশুটির বাবা মা তাকে জানিয়েছে, পাকস্থলির সমস্যার কারণে তাকে অস্ত্রোপচার করতে হয়েছে। শিশুটির বাবা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছে, নবজাতকটিকে কারো কাছে দত্তক দিতে সহায়তা করতে।
পাঞ্জাবের চন্ডিগড়ের বাসিন্দা শিশুটি টানা কয়েক মাস ধরে তার এক আত্মীয়ের ধর্ষণের শিকার হচ্ছিল। একদিন পেট ব্যথার কথা বললে চিকিৎসকের কাছে নেয়া হলে জানা যায় শিশুটি ৩০ সপ্তাহের গর্ভবতী। গত জুলাইয়ের ২৮ তারিখ ভারতের সুপ্রিম কোর্ট শিশুটির গর্ভপাতের জন্য আবেদন প্রত্যাখ্যান করে। ভারতীয় আইন অনুযায়ী ২০ সপ্তাহের বেশি গর্ভাবস্থা পার হওয়ার পরে গর্ভপাত করানো হয় না যদি না মায়ের প্রাণহানির আশঙ্কা থাকে।
তবে শিশুটির ক্ষেত্রে চিকিৎসকরা বলেছিলেন যদি এই অবস্থায় শিশুটির গর্ভপাত করা হয় তাহলে শিশুটি ও তার ভেতরে থাকা সন্তান দুই জনেরই প্রাণ হানির আশঙ্কা থাকবে। শিশুটির ধর্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সরকারি একটি হাসপাতালে সি সেকশন ডেলিভারির মাধ্যমে একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেয় শিশুটি। মেডিকেল কমিটির চেয়ারপারসন ডা. দাসারি হরিশ বলেন, নতুন জন্ম নেয়া বাচ্চাটির ওজন ২.২ কেজি এবং তাকে নবজাতকদের আইসিইউতে রাখা হয়েছে। আর মেয়েটিকে একটি পৃথক কক্ষে রাখা হয়েছে এবং তার অবস্থা স্থিতিশীল। আমরা আশা করি নবজাতকটিকেও বাঁচানো যাবে। এনডিটিভি।
ইত্তেফাক/সাব্বির
