রাণীনগরে বন্যা পরিস্থিতি আরো অবনতি

আপডেট : ২০ আগস্ট ২০১৭, ১৩:৩৫
 
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে নওগাঁর আত্রাই (ছোট যমুনা) নদীতে বন্যার পানি দিন পর দিন বাড়ছে।নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। তলিয়ে যাচ্ছে ফসলের জমি। ভেসে গেছে শত শত পুকুরের মাছ। 
 
উপজেলার ২ বেরী বাঁধের ৩টি মূলবাঁধ ভেঙ্গে পানি প্রবাহিত অব্যাহত রয়েছে। পানি দ্রুত সরিয়ে না যাওয়ার কারণে দিন দিন নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। চরম আতঙ্কে রয়েছে উপজেলার বাসিন্দারা। এদিকে বেরীবাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ার সাত দিন অতিবাহিত হলেও এখনো মোরামত করা হয়নি এই ভাঙ্গনস্থান গুলো।
 
জানা গেছে, নওগাঁর আত্রাই নদীতে পানির অস্বাভাবিক বাড়ার কারণে গত ১৩ আগস্ট সন্ধ্যার পর থেকে উপজেলার রাণীনগর সদর, কাশিমপুর, গোনা, মিরাট, বড়গাছা ইউনিয়নের প্রায় ৫৮টি গ্রাম বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়। বেতগারী থেকে নওগাঁ-আত্রাই মহাসড়কের ৩টি স্থানে ভেঙ্গে যাওয়ায় আত্রাইয়ের সঙ্গে রাণীনগর ও নওগাঁর সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। এই বন্যার পানির কারণে উপজেলার প্রায় সাড়ে ৫ হাজার হেক্টর ফসলি জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। শতাধিক পুকুরের মাছ বন্যার পানিতে ভেসে গেছে। আতঙ্কে রয়েছেন বন্যা কবলিত এলাকার লাখ লাখ মানুষ। 
 
রাণীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোনিয়া বিনতে তাবিব জানান, বন্যাকবলিত এলাকায় ক্ষতির প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করে ত্রাণ বিতরণ করা শুরু হয়েছে। সরকারি দফতর ছাড়াও বিভিন্ন দল ও সংগঠনগুলো বন্যাকবলিত এলাকায় সাধ্যমতো ত্রাণ বিতরণ করছে। পর্যায়ক্রমিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থদের সরকারের পক্ষ থেকে সাধ্য মতো ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। 
 
ইত্তেফাক/কেকে