মিরপুরে ১১ জনের হজে যাওয়া হলোনা

আপডেট : ২৭ আগস্ট ২০১৭, ০১:৩০

সাউথ এশিয়ান ওভারসিস এন্টারপ্রাইজের (লাইন্সেন নং-১২২২) প্রতারণায় কুষ্টিয়ার মিরপুরের ১১ জনের হজে যাওয়া হলো না। এ বিষয়ে প্রতারণার শিকার ১১ হজযাত্রীর পক্ষে মুক্তিযোদ্ধা ইদবার আলী বেগ প্রতিকার চেয়ে ধর্মমন্ত্রী, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ডাইরেক্টর অফ হজ’র নিকট লিখিত অভিযোগের পাশাপাশি সরাসরি দেখাও করেছেন।

প্রতারিত ১১জনই কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার বাসিন্দা। তারা হলেন, পৌরসভার খন্দকবাড়ীয়া মহল্লার মুক্তিযোদ্ধা ইদবার আলী বেগ, সানোয়ার হোসেন ও তার স্ত্রী শেফালী বেগম, রেজাউল হোসেন, নওপাড়া মহল্লার হাফেজ এনামুল হক তরুন, আব্দুর রাজ্জাক, হাসপাতালপাড়ার ব্যাংকার খলিলুর রহমান, ধুবইল ইউনিয়নের গোবিন্দগুনিয়া গ্রামের মিজানুর রহমান, জাহানারা খাতুন, মসলেম মন্ডল ও আজিজুর রহমান।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সাউথ এশিয়ান ওভারসিস এন্টারপ্রাইজ এজেন্সির পক্ষে মিরপুর পৌরসভার যোগিপোল মহল্লায় অবস্থিত হাশেম হজ কাফেলার আবুল হাশেমের মাধ্যমে উল্লেখিত ১১জন হজ গমনের জন্য নির্ধারিত রশিদের মাধ্যমে ১ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা করে সর্বমোট ১৯ লক্ষ ১৯ হাজার টাকা জমা দেন।

তাদের হজ নিবন্ধন হওয়া সত্বেও একপর্যায়ে তাদের হজযাত্রা নিয়ে গড়িমসি করতে থাকে। পরবর্তীতে তারা হাশেম হজ কাফেলার আবুল হাশেমের ওপর আস্থা হারিয়ে ঢাকার রামপুরা বনশ্রীস্থ সাউথ এশিয়ান ওভারসিস এন্টারপ্রাইজের কার্যালয়ে হাজির হয়ে হজ এজেন্সির স্বত্বাধিকারী মাহফুজুর রহমানের সঙ্গে দেখা করেন। তিনি এ বছরই তাদের হজে নিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি দেন। তা সত্বেও তারা হজে যেতে পারলেন না।

আশাহত হয়ে এক পর্যায়ে ভুক্তভোগীরা টাকা ফেরৎ চাইলে এজেন্সি থেকে জানানো হয় এ বছর নয়, আগামী ২০১৮ সালের জন্য আপনাদের নিবন্ধন হয়েছে। এ ব্যাপারে হাশেম হজ কাফেলার আবুল হাশেমের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ২০১৮ সালের জন্য তাদের নিবন্ধন হয়েছে। শুধুমাত্র নিবন্ধনের ফিস রেখে বাকি টাকা চেকের মাধ্যমে ফেরৎ দেয়া হয়েছে।

তবে ভুক্তভোগীরা জানান, তারা আমাদের সঙ্গে টাকা ফেরতের কথা বলে চেক প্রদান করেও প্রতারণা করেছে। তারা আরও জানান, ৬ লক্ষ টাকার একটি চেক দিলেও তা ব্যাংক থেকে ডিজঅনার করেছে।

ভুক্তভোগী ১১জন সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের মাধ্যমে প্রতারক সাউথ এশিয়ান ওভারসিস এন্টারপ্রাইজ এজেন্সির বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণসহ তাদের প্রদানকৃত টাকা ফেরতের জোর দাবি জানিয়েছেন।

ইত্তেফাক/নূহু