রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের অস্ত্রবিরতি প্রত্যাখ্যান মিয়ানমারের

আপডেট : ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ১১:৫৯
সংঘাত বন্ধে রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের আহ্বান করা একমাসের অস্ত্রবিরতি প্রত্যাখ্যান করে দিয়েছে মিয়ানমারের সরকার। দেশটির ডি ফ্যাক্টো নেত্রী অং সান সুচির এক মুখপাত্র টুইটবার্তায় বলেছেন, ‘সন্ত্রাসীদের সঙ্গে কোনো ধরণের মধ্যস্থতায় যাবে না সরকার।’
IMG0
জানা গেছে, রবিবার থেকে একমাসের অস্ত্রবিরতির একতরফা ঘোষণা দেয় মিয়ানমারের রোহিঙ্গা বিদ্রোহীরা। এক বিবৃতিতে বিদ্রোহীরা জানিয়েছে, ‘তারা রাখাইনে মানবিক সংকট বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং তারা আশা করছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীও সেখানে অস্ত্রবিরতি করবে।’ আরসা বা আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি শনিবার দেয়া এক বিবৃতির মাধ্যমে এই অস্ত্রবিরতির এই ঘোষণা দেয়।
IMG1
উল্লেখ্য, গত পঁচিশে আগস্ট পুলিশের উপর এই আরসার চালানো হামলার প্রতিক্রিয়াতেই রাখাইনে সেনা অভিযান শুরু হয়, যার কারণে প্রায় তিন লাখ রোহিঙ্গা মুসলমান প্রতিবেশী বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়। শরণার্থীর স্রোত এখনো অব্যাহত আছে। বহু রোহিঙ্গা নিহত হচ্ছে। সীমান্তের দু’পাড় জুড়েই তৈরি হয়েছে এক মানবিক পরিস্থিতি। এরকম পরিস্থিতিতেই আরসা’র তরফ থেকে এলো একতরফা অস্ত্রবিরতির ঘোষণা। তারা সাহায্যকারী সংস্থাগুলোতে রাখাইন এলাকায় তাদের কর্মকাণ্ড শুরু করবারও আহ্বান জানায়।
IMG2
অবশ্য রাখাইনের সহিংসতা প্রসঙ্গে মিয়ানমারের সরকার বলছে, রোহিঙ্গা জঙ্গি এবং মুসলমান গ্রামবাসীরা নিজেরাই নিজেদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দিচ্ছে এবং অমুসলিমদের উপর হামলা চালাচ্ছে। তাই এদের অনেকেই সহিংসতা থেকে বাঁচতে পালিয়ে যাচ্ছে। বিবিসি।
 
ইত্তেফাক/সেতু