ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যে বাংলাদেশি পণ্যের চাহিদা রয়েছে

আপডেট : ০৭ এপ্রিল ২০১৯, ২২:২৩

সিলেট অফিস

ভারতের আসাম রাজ্যের গোহাটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের সহকারী হাই কমিশনার ড. শাহ মোহাম্মদ তানভির মনসুর বলেছেন, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যসমূহে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধি এবং আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের সমতা আনয়নে কাজ করছে হাইকমিশন। তিনি বলেন, গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশকে বিবেচনা করে ভারত। বিশেষ করে আসামের সাথে আমাদের সমপর্কের নিবিড়তা বাড়ছে। তিনি বলেন, গোহাটিতে হোটেল, কাপড়ের দোকান ও জামদানি কাপড়ের চাহিদা রয়েছে। ভারতের পর্যটন কর্পোরেশন গোহাটিতে জামদানির আউটলেট স্থাপনের জন্য একটি স্থান বরাদ্দ করেছে। তিনি এব্যাপারে ব্যবসায়ীদের আসাম সফর ও ব্যবসার উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।

গত শনিবার রাতে চেম্বার বোর্ড রুমে দি সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন সিলেট চেম্বারের সভাপতি খন্দকার সিপার আহমদ।

ড. শাহ মোহাম্মদ তানভির মনসুর বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়নে ভারতও আগ্রহী। এসওপি চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ মংলা ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর উন্মুক্ত করে দিয়েছে। এটি বাস্তবায়নের জন্য কাজও চলছে। তিনি সিলেটের ট্যুর অপারেটরদের গোহাটি সফরের আমন্ত্রণ জানান।

সভায় ব্যবসায়ীদের উত্থাপিত এরিয়াভিত্তিক ট্যাক্স আরোপ, প্রোডাক্ট বাজারজাতকরণে সময় ক্ষেপণ, কার্বন কপিতে হাতের ছাপ এবং ইমিগ্রেশনের পরও বিএসএফ কর্তৃক অহেতুক হয়রানির অভিযোগের বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। চেম্বার সভাপতি খন্দকার সিপার আহমদ বলেন, ভারত থেকে আমদানির তুলনায় বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি অত্যন্ত কম। এক্ষেত্রে ভারতে অবস্থিত বাংলাদেশি মিশনগুলোকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। বাংলাদেশি পণ্যকে সরকারিভাবে সেখানে মার্কেটিং ও প্রমোট করতে হবে। তিনি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সাতটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের নিয়ে ব্যবসায়ী সম্মেলন আয়োজনের প্রস্তাব করেন। সভায় বক্তব্য রাখেন সিলেট চেম্বারের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাসুদ আহমদ চৌধুরীসহ অন্য পরিচালকরা।