কুষ্টিয়ার মিরপুরে গত ২৫ ও ২৬ সেপ্টেম্বর ২দিনে ৩টি গ্রামের ১২ জন এ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত রোগী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন।
তারা হলেন উপজেলার সদরপুর ইউনিয়নের নওদা আজমপুর গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে মনি (২৫), রওশনের ছেলে সগির (৪৫), পাশ্ববর্তী আমলা ইউনিয়নের বুরাপাড়া গ্রামের সোহরাবের ছেলে আলম (৩৫), ইব্রাহীমের ছেলে আবু শামা (৩৫), সগিরের ছেলে আমিন (১২), কামালের স্ত্রী আদুরী (২৭), নাসিরের স্ত্রী বুলবুলি (২৭), হাফিজুলের মেয়ে হাফিজা (২৬), উকিল বিশ্বাসের ছেলে আজিম বিশ্বাস (৪৫), বাবলুর স্ত্রী মিতা (২৫), সিরাজুলের স্ত্রী নাজমা (৩৫)।
এরা ২৫ সেপ্টেম্বর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এলে তাদের আউটডোর থেকে লক্ষণ অনুযায়ী চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে। সর্বশেষ ২৬ সেপ্টেম্বর সদরপুর ইউনিয়নের কাকিলাদহ গ্রামের মৃত আজহারের ছেলে মহাম্মদ আলী (৬৫) নামের এক বৃদ্ধ এ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
ধারনা করা হচ্ছে এ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ আব্দুর রকিবের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সত্যতা নিশ্চিত করেন।
তিনি আরো বলেন, চিকিৎসা নেয়া রোগীরা জানিয়েছেন, তারা কোরবানীর ঈদের ২দিন আগে স্থানীয় বাজার থেকে কেনা গরুর মাংস খেয়েছিলেন।
উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা গোপেশ চন্দ্র সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ঘটনাটি তার নলেজে আছে। তবে পরীক্ষা ছাড়া নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাবে না।
ইত্তেফাক/নূহু
