কাতালুনিয়া শেষ পর্যন্ত স্বাধীনতা পাবে কি না, সেটা সময়ই বলবে। সেই তর্কের পাশাপাশি আরও একটা প্রশ্ন কিন্তু বড় হয়ে উঠছে। সে রকম হলে লিওনেল মেসিদের ভাগ্যে কী হবে? কাতালুনিয়া স্বাধীনতা পেলে কোথায় খেলবে এফ সি বার্সেলোনা?
যে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়ে উঠেছে বার্সেলোনা প্রেসিডেন্ট জোসেপ মারিয়া বার্তোমেউয়ের একটি মন্তব্যের পরে। সোমবার রাতে বার্তোমেউ একটি সাংবাদিক বৈঠক করে মন্তব্য করেন, কাতালুনিয়া স্বাধীনতা পেলে লা লিগা ছাড়ার কথা ভাবতে হতে পারে ক্লাবকে। যার পরেই তোলপাড় পড়ে যায় ফুটবল দুনিয়ায়। কাতালুনিয়ার ক্রীড়ামন্ত্রী আগেই বলে রেখেছিলেন, বার্সেলোনা, এস্প্যানিওলের মতো ক্লাব চাইলে ইংল্যান্ড, ইতালি বা ফ্রান্সেও খেলতে পারে।
সাংবাদিকদের বার্তোমেউ বলেছেন, ‘ভবিষ্যতে সে রকম পরিস্থিতি হলে আমাদের বোর্ড ডিরেক্টররা অবশ্যই ব্যাপারটা নিয়ে ভেবে দেখবে। এ সব ঠান্ডা মাথায় ভেবে দেখার ব্যাপার।’ বার্তোমেউয়ের এই মন্তব্যের পরে আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে মেসিদের ভবিষ্যত নিয়ে। এমনিতে কাতালুনিয়া আন্দোলনে অংশ নিয়েছে বার্সেলোনাও। একদিন তারা প্র্যাকটিস বন্ধ রেখেছে। শোনা যাচ্ছে, বার্সেলোনা নাকি ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলতে আগ্রহ দেখিয়েছে। যদিও শেষ পর্যন্ত আদৌ এ সব বাস্তবায়িত হবে কি না, তা নিয়ে বড় প্রশ্ন থাকছেই।
IMG0
এরই মধ্যে আবার অন্য সমস্যায় পড়েছেন জেরার পিকে। রবিবার বার্সেলোনা-লাস পালমাস ম্যাচের পরে পিকে বলে ফেলেছিলেন, তিনি আর স্পেনের হয়ে খেলতে চান না। তবে পিকে তার পরের দিন স্পেনের প্র্যাকটিসে যোগ দেন। যেখানে তাঁকে এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে বার্সেলোনার ডিফেন্ডার বলেন, ‘আমি তো এ নিয়ে যা বলার বলেইছি। আর কিছু বলতে চাই না।’ কিন্তু বিতর্ক এখানেই থেমে থাকেনি। পিকে স্পেনের প্র্যাকটিসে যোগ দেওয়ার পরে তাঁকে স্প্যানিশ দর্শকদের বিদ্রুপের শিকার হতে হয়।
সোমবার থেকে স্পেনের প্র্যাকটিস শুরু হয়েছে মাদ্রিদে। যেখানে যোগ দেওয়ার পরেই স্প্যানিশ সমর্থকেরা পিকের উদ্দেশে বলতে থাকেন, ‘পিকে, বাড়ি যাও।’ পিকে-কে আক্রমণ করে বেশ কয়েকটা ব্যানারও দেখা যায় দর্শকদের হাতে। যা পরে বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। তবে পিকের পাশে দাঁড়িয়েছেন স্পেনের জাতীয় দলের কোচ জুলেন লোপেতেগি। তিনি বলেছেন, ‘আমি দেখতে চেয়েছিলাম পিকে-র মনোভাবটা কী রকম। পিকে-র আচরণ দেখে আমি মুগ্ধ। ও মাঠে নামার জন্য মুখিয়ে আছে।’-আনন্দবাজার।
ইত্তেফাক/কেআই
