বিশ্বকাপে উমহাদেশের সুযোগ দেখছেন পিটারসেন

আপডেট : ০৮ এপ্রিল ২০১৯, ২১:৫১

স্পোর্টস রিপোর্টার

বলে না দিলেও চলে যে, বিশ্বকাপে বড় ভূমিকা থাকবে ইংলিশ কন্ডিশনের। আর এবারের বিশ্বকাপটা ইংল্যান্ডের গ্রীষ্মকালে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলেই উপমহাদেশীয় দলগুলোর সুযোগ দেখছেন কেভিন পিটারসেন।

বিশ্বকাপ শুরু হবে আগামী ৩০ মে। শেষ হবে ১৪ জুলাই। খেলা হবে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের ১১টি ভেন্যুতে। এই ১১টি ভেন্যুর মধ্যে লর্ডস ছাড়াও আছে এজবাস্টন, ওল্ড ট্রাফোর্ড, হেডিংলি, ট্রেন্ট ব্রিজ, সাউদাম্পটন, কার্ডিফ, চেস্টার লি স্ট্রিট, টওন্টন ও ব্রিস্টল। টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হবে ৪৬ দিনে।

ক্রিকেট ইতিহাসের প্রথম তিনটি বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল এই ইংল্যান্ডে। এরপর সর্বশেষ ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপেরও আয়োজক ছিল ইংল্যান্ড। এবার আবার বিশ্বকাপ ফিরছে তার আতুরঘরে।

২০১৯ সালের ১০ দলের ক্রিকেট বিশ্বকাপে মোট ম্যাচ হবে ৪৮টি। যার ৪৫টিই গ্রুপ পর্বের। অর্থাত্ গ্রুপ পর্বে প্রতিটি দল একে-অপরের বিপক্ষে খেলবে! রাউন্ড রবিন পদ্ধতিতে হওয়ায় প্রতিটি দলকে মুখোমুখি হতে হবে বাকি নয় প্রতিপক্ষের। অর্থাত্ নক-আউট পর্ব বাদে প্রতি দলকেই খেলতে হবে নয়টি করে ম্যাচ।

সাম্প্রতিক সময়ে ইংল্যান্ডের কন্ডিশন অনেকটাই পাল্টেছে। বিশেষ করে বাড়তি সুবিধা পাচ্ছেন ব্যাটসম্যানরা। গত কিছুদিনের ওয়ানডেগুলোতে দেখা যাচ্ছে প্রায়ই ৩০০-এর ওপর স্কোর হচ্ছে।মুম্বাইয়ে বসে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে পিটারসেন বলেন, ‘বিশ্বকাপে অনেক কিছুই নির্ভর করবে আবহাওয়ার ওপর। এখন ইংল্যান্ডের গ্রীষ্মকালগুলোতে অনেক গরম নামে। বৃষ্টি হয় না বললেই চলে। আবহাওয়া থাকে অনেক শুষ্ক। গতবারও এমন ছিল। এবারো যদি পরিস্থিতিটা একইরকম থাকে, তাহলে সেটা উপমহাদেশীয় দলগুলোর জন্য বড় একটা সুবিধার ব্যাপার হয়ে দাঁড়াতে পারে।

অবশ্য সাবেক এই ইংলিশ ব্যাটসম্যানের বাজির ঘোড়া ইংল্যান্ডই। তিনি এর সঙ্গে ভারতকেও রাখছেন। তিনি বলেন, ‘অনেকেই বলছেন ইংল্যান্ড এবার ৫০ ওভারের ক্রিকেটে তাদের প্রথম বিশ্বকাপ জিতে যেতে পারে। অনেকে ভারতের নামও বলছে। আমিও তাই মনে করি।’