কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে আহত যুবক বুলবুলের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার সকালে কুষ্টিয়া-প্রাগপুর সড়কের হোসেনাবাদ-মথুরাপুর মাঠ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
বুলবুল প্রাগপুর ইউনিয়নের ভারত সীমান্তবর্তী জামালপুর গ্রামের মোবারক মণ্ডলের ছেলে।
স্থানীয়রা জানায়, শনিবার রাতে বুলবুলসহ ৬/৭ জন চোরাকারবারি জামালপুর সীমানা সংলগ্ন ১৫২/১৩ (এস) পিলার সংলগ্ন এলাকা দিয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ে আসার
জন্য ভারত ভূ-খণ্ডে প্রবেশ করলে ভারতের নদীয়া জেলার হোগলবাড়িয়া থানার নাসিরাপাড়া ক্যাম্পের টহলরত বিএসএফ সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালালে বুলবুল গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। এ সময় তার সহযোগীরা তাকে উদ্ধার করে বাংলাদেশের সীমানায় নিয়ে এসে গোপনে চিকিত্সা করায়।
সোমবার ভোরে বুলবুল মারা গেলে কে বা কাহারা তাকে কুষ্টিয়া-প্রাগপুর সড়কের হোসেনাবাদ-মথুরাপুর মাঠের মধ্যে ফেলে রেখে যায়। খবর পেয়ে থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছে।
বিজিবি ৪৭ ব্যাটালিয়নের জামালপুর ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েক সুবেদার আব্দুর রাজ্জাক জানান, জামালপুর সীমানা সংলগ্ন ১৫২/১৩ (এস) পিলার সংলগ্ন এলাকায় ভারত ভূ-খণ্ডের অভ্যন্তরে এক বাংলাদেশি বিএসএফ কর্তৃক গুলিবিদ্ধ হয়েছে বলে তিনি খবর পেয়েছেন।
দৌলতপুর থানার ওসি শাহ দারা খান জানান, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় বুলবুলের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, গত শনিবার সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের গুলিতে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
ইত্তেফাক/এএম।
