বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, শেখ হাসিনার অধীনে কোনো নির্বাচন হলে জনগণ ভোট দিতে যাবে না। যে নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে যাবে না সেই নির্বাচনে বিএনপি কেন যাবে? অন্যান্য রাজনৈতিক দলই বা কেন যাবে? সেই কারণে এখন নির্বাচন নয়। সেই নির্বাচনে জনগণ যাবে না। এখন একটা অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য নিরপেক্ষর জন্য পূর্বশর্ত শেখ হাসিনার পদত্যাগ। তাই একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য যে নামেই হোক নির্বাচনকালীন সরকারের ব্যবস্থা করেই নিবার্চনের কথা বলবো তার আগে নয়।
সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি’র (সাগর-রুনি) মিলনায়তনে এক প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ অভিযোগ করেন। ‘সর্বোচ্চ আদালত ধ্বংসের নীল নকশার বিরুদ্ধে ’এ প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যেজোট।
আয়োজক সংগঠনের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ সেলিম ভূইয়ার সভাপতিত্বে বক্তব্যে দেন-বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্ঠা পরিষদের সদস্য আব্দুস সালাম, বিএনপি নেতা আব্দুল আউয়াল খান,কাদের গণি চৌধুরী,এড. সৈয়দ জয়নাল আবেদিন মেজবাহ, শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের অতিরিক্ত মহাসচিব মো. জাকির হোসেন, দপ্তর সচিব অধ্যক্ষ মো. সেলিম মিঞা, মাদরাসা শিক্ষক সমিতির মহাসচিব মাও. দেলোয়ার হোসেন, কিন্ডার গার্ডেন এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মিজানুর রহমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ফরিদ উদ্দিন, জিনাফ সভাপতি লায়ন মিঞা মো. আনোয়ারসহ জাতীয় শিক্ষক নেতৃবৃন্দ।
গয়েশ্বর রায় বলেন, প্রধান বিচারপতি গৃহবন্দি নন, তিনি প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মাঝে মধ্যে মন্দির ও ভিসার জন্য হাইকমিশনে যান। যেমন জেলখানার কয়েদিরা প্যারোলে মুক্তি পায়। বিচারপতির সঙ্গে আইনজীবীরা দেখা করতে পারেন না। কিন্তু, সরকারের লোকেরা দেখা করেন। প্রধান বিচারপতি দেশে থাকাকালীন তো কিছু বলতে পারছেন না। দেখি বিদেশে গেলে কী বলেন। তিনি আরও বলেন, প্রধান বিচারপতির সঙ্গে যে ব্যবহার করা হচ্ছে, তা কোনও ব্যক্তির সঙ্গে নয়, একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে করা হচ্ছে। এস কে সিনহা তো একজন ব্যক্তি। এর পেছনে একটি উদ্দেশ্য আছে, তাহলো সরকার যা বলবে বিচার বিভাগ যেন তেমনই রায় দেয়।
ইত্তেফাক/এমআই
