বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর ও আওয়ামী লীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও শেখ আবদুল আজিজ আর নেই। তিনি সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় গুলশানের ৭ নম্বর রোডের ৫ নম্বর বাড়িতে ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। তিনি দীর্ঘ দিন যাবৎ বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। শেখ আবদুল আজিজের এক ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন। প্রয়াতের ভাগ্নে অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ বেলায়েত হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ছেলে শেখ আশিক হাফিজ প্রকৌশলী, চাকরি করেন আমেরিকায়। বড় মেয়ে সিমিন শেখ আমেরিকার ওয়াশিংটনে প্রাইমারি শিক্ষা অফিসার এবং ছোট মেয়ে নাবিন শেখ মেঘলা ঢাকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী অধ্যাপক পদে কর্মরত।
শেখ আব্দুল আজিজ বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রিসভার যোগাযোগ, কৃষি, তথ্য এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ছিলেন। এ ছাড়াও বিভিন্ন সময়ে দলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। দীর্ঘদিন সুপ্রিমকোর্টে আইন পেশায় নিয়োজিত ছিলেন তিনি। স্বাধীনতা ঘোষণা কমিটির আহ্বায়কও ছিলেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের প্রবাসী সরকারের ৯ নম্বর সেক্টরের লিয়াজোঁ অফিসার ছিলেন।
শেখ আজিজের জন্ম ১৯২৯ সালে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার তেলিগাতী গ্রামে। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ ও এলএলবি পাস করেন।
শেখ আবদুল আজিজ ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্যদের সর্বশেষ জীবিত ব্যক্তি।
প্রবীণ এই নেতার মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ডা: মোজাম্মেল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামরুজ্জামান টুকু।
ইত্তেফাক/আরকেজি

