পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে মার্কিন ব্যবসায়ীদের বৈঠক

আপডেট : ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৫৯

দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ্যে ঢাকায় সফররত যুক্তরাষ্ট্রের একটি উচ্চপর্যায়ের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। বুধবার (১২ আগস্ট) যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অতুল কেশাপের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই বৈঠকে অংশ নেয়।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে শিল্প ও অবকাঠামো, জ্বালানি, প্রযুক্তি, ডিজিটাল অর্থনীতি এবং স্বাস্থ্যসেবার মতো সম্ভাবনাময় খাতগুলোয় মার্কিন বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে মতবিনিময় করেন উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা।

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির মার্কিন প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের বহুমাত্রিক সম্পর্ক বিদ্যমান। বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এই অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও বাড়ানো হলে দুই দেশের অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় হবে। বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা তুলে ধরে তিনি আশ্বস্ত করেন, সরকার ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।

যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রযুক্তি ও জ্ঞান বিনিময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করেন হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে অর্থনৈতিক রূপান্তরের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ পার করছে, যা নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করছে।

বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অতুল কেশাপ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও বিনিয়োগের সুযোগের বিষয়ে নিজেদের আগ্রহের কথা জানান। দুই দেশের বেসরকারি খাতের মধ্যে সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন তিনি। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার ব্যবসায়িক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে বিজনেস কাউন্সিলের প্রতিশ্রুতির কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

উভয় পক্ষই একমত হয় যে, দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও গতিশীল ও টেকসই করতে দুই দেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্পৃক্ততা ও অংশীদারত্ব গভীর করা অপরিহার্য।

ইত্তেফাক/এনএন