একা পেলেই প্রধান শিক্ষক গায়ে হাত দিয়ে অশোভন আচরণ করতেন শিশুটির সঙ্গে। এতে শিশুটির ওপর পড়ে তীব্র মানসিক চাপ। ভয় ও আতঙ্কে শিশুটি বন্ধ করে দিয়েছে পড়াশোনা, যাচ্ছে না আর স্কুলে। টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার বাসুদেবকোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গত সোমবার এ ঘটনা ঘটেছে।
চতুর্থ শ্রেণির শিশু শিক্ষার্থীর সঙ্গে এমন আচরণ করতেন প্রধান শিক্ষক আব্দুল খালেক। তিনি উপজেলার ফলদা (চন্ডিপুর) গ্রামের বাসিন্দা। এদিকে, প্রধান শিক্ষকের শাস্তি চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত আবেদন করেছে শিক্ষার্থীটি। এছাড়া ওই শিশুর বাবা বাদী হয়ে রবিবার রাতে প্রধান শিক্ষককে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন ভূঞাপুর থানায়।
অর্জুনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী মোল্লা জানান, শিক্ষক হয়ে কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানি করেছেন— তার কঠিন শাস্তি হওয়া উচিত। অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল খালেকের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা, তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার।
ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রাশিদুল ইসলাম জানান, শ্লীলতাহানির ঘটনায় ওই শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে প্রধান শিক্ষককে আসামি করে একটি মামলা করেছেন। অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঝোটন চন্দ জানান, ওই শিক্ষার্থীর একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। লিখিত অভিযোগে ওই শিক্ষার্থী প্রধান শিক্ষক কর্তৃক শ্লীলতাহানির শিকার হয়েছে বলে আবেদনে উল্লেখ করেছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে শিক্ষা কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
