কুষ্টিয়ার কুমারখালীর জয়নাবাদে আজ শুক্রবার ভোরে পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে আনোয়ার হোসেন নামে এক সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। এসময় চার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে।
পুলিশ জানায়,শুক্রবার ভোররাত ৩টার দিকে কুমারখালী উপজেলার জয়নাবাদ এলাকার গড়াই নদীর পাড়ে এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। নিহত আনোয়ার হোসেন প্রবাসী যুবক রাকিবুল হত্যার এজাহারভুক্ত আসামি ছিল । ঘটনাস্থল থেকে ১টি বিদেশী পিস্তল, ২ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, ১টি বড় ছুরি ও ১টি হাসুয়া উদ্ধার করা হয়েছে।
কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল খালেক জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রবাসী রাকিবুল হত্যার এজাহারভুক্ত আসামি আনোয়ার হোসেনকে বাঁধবাজার এলাকা থেকে আটক করা হয়। পরে তার বাড়ী থেকে প্রবাসী রাকিবুল হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দড়ি, রক্তমাখা গেঞ্জি এবং বস্তা উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। রাতে আসামি আনোয়ারকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে সে প্রবাসী রাকিবুল হত্যার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে এবং রাকিবুল হত্যার সাথে জড়িত বাকি আসামিরা জয়নাবাদ এলাকায় অবস্থান করছে বলে পুলিশকে জানায়।
আনোয়ারের তথ্যানুযায়ী তাকে নিয়ে মামলার অন্য আসামিদের ধরতে কুমারখালী উপজেলার জয়নাবাদ এলাকার গড়াই নদীর পাড়ে অভিযানে যায় পুলিশ। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে একদল সন্ত্রাসী পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। বন্দুকযুদ্ধের একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা পিছু হটে।
এ ঘটনায় আনোয়ার হোসেন গুলিবিদ্ধ হলে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কুমারখালী থানার উপ-পরিদর্শক(এসআই) রাজিব আল রশিদ বলেন, এ ঘটনায় সহকারী উপ-পরিদর্শক(এএসআই) জিহাদ আলী, কনস্টেবল পরাগ বুলবুল ও ফিরোজ হোসেন আহত হয়েছেন। সন্ত্রাসী আনোয়ার হোসেন কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার নগর শাওতা গ্রামের আসমত আলীর ছেলে। আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে হত্যা ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
ইত্তেফাক/এমআর
