‘তরুণদের উৎসাহ ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নকে বাস্তবতায় রূপান্তর করছে’

আপডেট : ৩১ অক্টোবর ২০১৭, ১৫:৫৭
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, তরুণদের অসাধারণ সব আইডিয়াগুলোর মাধ্যমে ডিজিটাল খিচুড়ি চ্যালেঞ্জের মতো একটি প্ল্যাটফর্ম আমাদের দেখিয়ে দিয়েছে যে বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে স্টার্ট-আপ সংস্কৃতি ছড়িয়ে উদ্ভাবনী শক্তি বাড়াতে ইউএনডিপি ও আইসিটি ডিভিশনের একসাথে কাজ করা কতটা জরুরী। তরুণদের এই উৎসাহ ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নকে বাস্তবতায় রূপান্তর করছে প্রতিদিন।
 
‘ডিজিটাল খিচুড়ি চ্যালেঞ্জ’ ২০১৭ এর তিন দিনব্যাপী চূড়ান্ত ইভেন্টের পর সোমবার রাতে পুরস্কার বিতরণী ও সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তেব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
 
প্রতিমন্ত্রী এ সময় বিজয়ী ৩টি দলকে জনতা টাওয়ারে কো-ওয়ার্কিং স্পেস বরাদ্দের ঘোষণা দেন এবং বিজয়ী দলসহ অন্যান্য প্রতিযোগী দলকে আইসিটি ডিভিশন কর্তৃক বাস্তবায়িত ইনোভেশন ডিজাইন এন্ড অন্ট্রাপ্রেনিওরশীপ একাডেমী(আইডিয়া) প্রকল্পেও জমা দিতে বলেন।
 
অনুষ্ঠানে ইউএনডিপি বাংলাদেশের একটিং কান্ট্রি ডিরেক্টর কিওকো ইয়োকো সুকা বলেন, তারুণ্যে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ একটি তরুণ দেশ। ইউএনডিপি এই বৃহৎ তরুণ জনসংখ্যাকে সঠিক প্ল্যাটফর্ম এবং প্রয়োজনীয় দক্ষতা প্রদানে আগ্রহী, আমাদের বিশ্বাস এটি দেশের একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়তে তাদেরকে সাহায্য করবে।
IMG0
উল্লেখ্য যে, দ্বিতীয় বছরের মতো ঢাকায় অনুষ্ঠিত হল ‘ডিজিটাল খিচুড়ি চ্যালেঞ্জ’ ২০১৭ এর তিন দিনের আইডিয়া ল্যাব যা বিজয়ী তিনটি আইডিয়া নির্বাচনের মাধ্যমে শেষ হয়েছে গত সোমবার। বহুমাত্রিক বাংলাদেশের মানুষের বৈচিত্রময় ও শান্তিপূর্ণ রূপটিকে ধরে রাখার সৃজনশীল আইডিয়া প্রদানের জন্য এই চ্যালেঞ্জের বিজয়ী দলের নাম ঘোষণা করে বিশেষ বিচারকবৃন্দ। বাংলাদেশ সরকারের আইসিটি ডিভিশন,ফেসবুক ও  মাইক্রোসফট সহযোগিতায় ডিজিটাল খিচুড়ি চ্যালেঞ্জ’ ২০১৭ আয়োজন করে ইউএনডিপি। এক্সপার্টদের সহযোগিতায় ও নির্দেশনায় পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের জন্য বিজয়ী তিনটি দল পুরস্কার হিসেবে ৫০০০ ইউএস ডলার লাভ করে।
 
ইত্তেফাক/রেজা