সেই শম্পাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোনাগাজীর এএসপি সার্কেল সাইকুল আহাম্মদ ভূঞা জানান, সোমবার রাতে অভিযান চালিয়ে শম্পাসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ নিয়ে ১০ জনকে গ্রেফতার করা হলো।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ওসি (তদন্ত) মো. কামাল হোসেন জানান, সোমবার রাতে এজাহারে পরিবর্তন আনা হয়েছে। মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এস এম সিরাজ-উদ-দৌলা, কাউন্সিলর মাকসুল আলম, প্রভাষক আবছার উদ্দিন, সাবেক ছাত্র শাহাদাত হোসেন শামীম, সাবেক ছাত্র নূর উদ্দিন, জাবেদ হোসেন, জোবায়ের আহম্মদ ও হাফেজ আবদুল কাদেরসহ মোট ৮ জনের নাম এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় সোমবার রাতে মাদ্রাসার ছাত্রী শম্পাসহ ৩ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানা হাজতে রাখা হয়েছে। অপরদিকে, গতকাল চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক সোনাগাজী ফাজিল মাদ্রাসা পরিদর্শন করেন এবং পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করে ঘটনার সাথে জড়িতদেরকে অতি দ্রুত আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দেন। পরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে ডিআইজি বলেন, এ ঘটনা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তারা দেখছেন। ঘটনার সাথে যারা জড়িত তারা অবশ্যই ধরা পড়বেন। সোনাগাজীতে পুলিশের পোশাকধারী এবং সাদা পোশাকধারী গোয়েন্দারা কাজ করছেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, অল্প সময়ের মধ্যে অপরাধীদের শনাক্ত করা সম্ভব হবে। কেউ আইনের বাইরে থাকতে পারবে না।
এদিকে, আলিম ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফীর গায়ে দুর্বৃত্তদের অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে কর্মজীবী নারীরা ফেনীতে মানববন্ধন করেছেন এবং স্থানীয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে নারী সংগঠনের সভাপতি সালেহা বেগমসহ নারীনেত্রীরা বক্তব্য দেন।
